Bartaman Logo
২৩ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

ক্লান্তি ভুলে যুবভারতীতে আজ বাজিমাতের আশায় মোহন বাগান

বিশাল কাইথের গাড়ি মোহনবাগান তাঁবুতে ঢুকতেই ‘গুরু, গুরু’ শব্দে সরগরম গোষ্ঠ পাল সরণি। গাড়ি থেকে নেমে সমর্থকদের দিকে দু’হাত উঁচিয়ে ধরলেন সবুজ-মেরুন গোলরক্ষক।

ক্লান্তি ভুলে যুবভারতীতে আজ বাজিমাতের আশায় মোহন বাগান
  • ২৩ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

অম্বরীশ চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা: বিশাল কাইথের গাড়ি মোহনবাগান তাঁবুতে ঢুকতেই ‘গুরু, গুরু’ শব্দে সরগরম গোষ্ঠ পাল সরণি। গাড়ি থেকে নেমে সমর্থকদের দিকে দু’হাত উঁচিয়ে ধরলেন সবুজ-মেরুন গোলরক্ষক। সঙ্গে সঙ্গেই শুরু ‘জয় মোহনবাগান’ স্লোগান। সেই উন্মাদনার রেশ বজায় থাকল গোটা অনুশীলন জুড়েই। শনিবার বিকেলে ময়দানে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সেরে নিল সবুজ-মেরুন শিবির। ডার্বির উত্তাপ এমনিতেই তুঙ্গে। সঙ্গে যোগ হয়েছে শিরোপা জয়ের প্রত্যাশা। ফলে শনিবারের অনুশীলনে বড়ো ম্যাচের আবহ যেন আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠল। শুধু বিশাল নন, ম্যাকলারেন থেকে মিগুয়েল— প্রত্যেক ফুটবলারের কাছেই ম্যাচ জেতানোর আবদার জানালেন সমর্থকরা। এই চাপ অবশ্য নতুন নয় ফুটবলারদের কাছে। তাই আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই অনুশীলনে নামলেন মনবীর, লিস্টনরা। 

Advertisement

চলতি ডুরান্ডে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার মুখোমুখি হচ্ছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে জয় পেয়েছিল পানোস ব্রিগেড। এরপর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি সবুজ-মেরুনকে। ফলে ফাইনালে বাড়তি চাপ মোহন বাগানের উপর থাকলেও তা নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন ফুটবলাররা। বরং শনিবারের অনুশীলনে আপুইয়া, সাহালদের বেশ ফুরফুরে মেজাজেই পাওয়া গেল। তবে সকলের নজর ছিল বিশাল কাইথের দিকে। তাঁর দস্তানায় ভর করেই নক আউটের কঠিন বাধা টপকেছে মোহনবাগান। তাই ডার্বির আগে তাঁকে নিয়েই আলোচনা বেশি। শুক্রবার শিলং থেকে কলকাতায় ফিরলেও শনিবার অনুশীলনে নিজেকে নিংড়ে দিলেন বিশাল। ফাইনালের আগে বিশ্রাম কম পাওয়ায় কোচ পানোস অসন্তুষ্ট। তবে ক্লান্তি ভুলে খেতাবেই চোখ মোহন বাগানের।
এদিন আধ ঘণ্টার ছোটো অনুশীলনের আগে মিনিট কুড়ির টিম মিটিং করেন কোচ পানোস। ফুটবলারদের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিলেন গ্রিক কোচ। প্রথমে দৌড় ও ফিটনেস ট্রেনিং এর পর সিচুয়েশন প্র্যাকটিসে ফুটবলারদের দায়িত্ব আরও একবার ঝালিয়ে নেন ফুটবলাররা। প্রথমে নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড ম্যাচের শুরুর একাদশ মাঠে নামলেন সবুজ-মেরুন কোচ। পরে ম্যাকলারেনকে স্ট্রাইকার রেখে মনবীরকে রাইট উইংয়ে ব্যবহার করেন তিনি। অনুশীলনের শেষে হল পেনাল্টি শ্যুট-আউটের মহড়া। সেখানে একে একে কোচের মুখে হাসি ফোটান ম্যাকা, রাহুল, লিস্টন ও মনবীররা।
অনুশীলন শেষ হওয়ার পরও ফুটবলারদের সঙ্গে ফের এক দফা কথা বলতে দেখা যায় কোচকে। কারণ তিনি জানেন, বিপক্ষের ডাগ-আউটে রয়েছেন ভারতীয় ফুটবলে পোড়খাওয়া কোচ হাবাস। মগজাস্ত্রের লড়াইয়ে তাঁকে ফের হারাতে হলে পরিকল্পনায় কোনও ফাঁক রাখা চলবে না। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ