সন্দীপ স্বর্ণকার, নয়াদিল্লি: শনিবার ছুটির দিন হলেও আগামী ১ ফেব্রুয়ারিই সংসদে পেশ হবে কেন্দ্রীয় বাজেট। সংসদ ও সরকারি সূত্রে এ খবর জানা গিয়েছে। আগে বাজেট পেশ হত বিকাল পাঁচটার সময়। কিন্তু ১৯৯৯ সালে তা বদলে করা হয় সকাল ১১টা। তবে নির্দিষ্ট কোনও দিন ধার্য ছিল না। নরেন্দ্র মোদি ২০১৭ সাল থেকে ঠিক করেছেন নির্দিষ্ট ১ ফেব্রুয়ারি হবে বাজেট পেশ। এতদিন অবশ্য তা ছুটির দিনে পড়েনি। ফলে এবার ছুটির দিন হওয়ায় গোড়ায় সরকারের অন্দরেও বিষয়টি নিয়ে চর্চা হয়। শেষমেশ ঠিক হয় তারিখ বদলানো হবে না। ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করবেন নির্মলা সীতারামন।
Advertisement
তবে বাজেট পেশের সময় এগিয়ে এলেও সরকারের কোষাগারে টানাটানি ক্রমেই বাড়ছে। বাড়ছে ঋণের বহর। ২০২৫ সালের মার্চে সার্বিক ঋণের বোঝা ১৮১ লক্ষ কোটি টাকা হবে বলে সরকার আনুমানিক হিসেব করেছিল। কিন্তু গত ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পৌঁছে গিয়েছে ১৭৫ লক্ষ কোটিতে। তারই মধ্যে টাকার মূল্যও দিনদিন পড়ছে। এখন ডলার প্রতি টাকার দাম ৮৬ ছুঁইছুঁই। ফলে বাড়ছে আমদানি খরচ। স্বাভাবিকভাবে কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে অর্থমন্ত্রকের কর্তাদের কপালে। তাই এবার বাজেটে দেদার খরচে লাগাম টানা হতে পারে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গিয়েছে।
মেগা প্রকল্প ঘোষণায় লাগামের পাশাপাশি চালু কর্মসূচির ক্ষেত্রেও ভর্তুকিতে কাটছাঁট করা যায় কিনা, তা নিয়ে সরকারের অন্দরে আলোচনা চলছে। মিশিয়ে দেওয়া হতে পারে একাধিক প্রকল্প। সূত্রের খবর, প্রায় সব মন্ত্রককে ব্যাপক চাহিদার বাজেট প্রস্তাব দিতে বারণ করেছে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর। সরকার চাইছে পরিমাণ নয়, গুণমানের খরচে। অর্থাৎ মেপে খরচ করা হবে।
চলতি বছরে বিহার আর দিল্লিতে ভোট। তবে বাজেট পেশের আগেই দিল্লি বিধানসভার নির্বাচন হয়ে যাবে। বাকি থাকবে বিহার। তাই ওই রাজ্যের জন্য বিশেষ কোনও ঘোষণা হতে পারে। বাকি সামাজিক প্রকল্পে বরাদ্দ নিশ্চিত করা হবে। কৃষি এবং গ্রামীণ ক্ষেত্রে নতুন কিছু প্রকল্প ঘোষণা হবে বলেই জানা যাচ্ছে। বিশেষত মহিলাদের উপকারে আসে, এমন কোনও প্রকল্প।
মেগা প্রকল্প ঘোষণায় লাগামের পাশাপাশি চালু কর্মসূচির ক্ষেত্রেও ভর্তুকিতে কাটছাঁট করা যায় কিনা, তা নিয়ে সরকারের অন্দরে আলোচনা চলছে। মিশিয়ে দেওয়া হতে পারে একাধিক প্রকল্প। সূত্রের খবর, প্রায় সব মন্ত্রককে ব্যাপক চাহিদার বাজেট প্রস্তাব দিতে বারণ করেছে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর। সরকার চাইছে পরিমাণ নয়, গুণমানের খরচে। অর্থাৎ মেপে খরচ করা হবে।
চলতি বছরে বিহার আর দিল্লিতে ভোট। তবে বাজেট পেশের আগেই দিল্লি বিধানসভার নির্বাচন হয়ে যাবে। বাকি থাকবে বিহার। তাই ওই রাজ্যের জন্য বিশেষ কোনও ঘোষণা হতে পারে। বাকি সামাজিক প্রকল্পে বরাদ্দ নিশ্চিত করা হবে। কৃষি এবং গ্রামীণ ক্ষেত্রে নতুন কিছু প্রকল্প ঘোষণা হবে বলেই জানা যাচ্ছে। বিশেষত মহিলাদের উপকারে আসে, এমন কোনও প্রকল্প।



