নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: প্রয়োজনীয় অর্থের অভাব! তাই এবার নিজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে ঝাঁপাচ্ছে শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদ। তারা এজন্য গ্রামীণ এলাকায় মার্কেট কমপ্লেক্স, অতিথি নিবাস, পর্যটন কেন্দ্র গড়ার পরিকল্পনা নিয়েছে। বুধবার অর্থ স্থায়ী সমিতির বৈঠকে এ ব্যাপারে প্রস্তাব পেশ হবে। একইসঙ্গে নতুন করে বাই-ল বা উপবিধি তৈরির আলোচনাও হতে পারে বলে খবর। ইতিমধ্যে সমগ্র বিষয় নিয়ে প্রশাসনিকস্তরে একপ্রস্ত আলোচনাও হয়েছে।
Advertisement
রাজ্যের অন্য জেলা পরিষদের মতো শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদও রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ পাচ্ছে। বিশেষ করে রাজ্যের পঞ্চম অর্থ কমিশন এবং কেন্দ্রে পঞ্চদশ অর্থ কমিশন থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা মিললেও উন্নয়নমূল কর্মকাণ্ড সামাল দেওয়া যাচ্ছে না। কারণ, এজন্য প্রয়োজন বিপুল অর্থ। তাই মহকুমা পরিষদকে আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করার তৎপরতা শুরু হয়েছে। বুধবার পর্ষদের অর্থ স্থায়ী সমিতির বৈঠকে এসব বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হবে। বিষয়টি নিয়ে প্রত্যেক সদস্যকে চিঠিও পাঠানো হয়েছে।
মহকুমা পরিষদের এক সদস্য বলেন, উত্তরের অন্যতম বড় শহর শিলিগুড়ি। এর সংলগ্ন গ্রামীণ এলাকার চেহারাও আমূল বদলে গিয়েছে। উন্নয়ন নিয়ে মানুষের স্বাদও পালটেছে। কিন্তু, কেন্দ্রীয় সরকার ১০০দিনের টাকা দিচ্ছে না। কেন্দ্রীয় আবাস যোজনার টাকাও বন্ধ। সরকারি বিভিন্ন দপ্তর থেকেও আগের মতো অর্থ মেলে না। তাই মহকুমা পরিষদকে আর্থিকভাবে সাবলম্বী করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সভাধিপতি অরুণ ঘোষ বলেন, গ্রামীণ এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে পরিষদের নিজস্ব আয় বৃদ্ধিতে জোর দেওয়া হচ্ছে। অর্থ স্থায়ী সমিতির বৈঠকেই এ ব্যাপারে চূড়ান্ত রূপ রেখা প্রস্তুত করা হবে।
মহকুমার গ্রামীণ এলাকায় মহকুমা পরিষদের কিছু সম্পত্তি রয়েছে। যারমধ্যে নকশালবাড়ি হাটে কিছু স্টল এবং উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের কাছে একটি মার্কেট রয়েছে। সেগুলি থেকে বার্ষিক আয়ের পরিমাণ সামান্য। এমন প্রেক্ষাপটে মাটিগাড়া, নকশালবাড়ি, খড়িবাড়ি ও ফাঁসিদেওয়া চারটি ব্লকেই নতুন মার্কেট কমপ্লেক্স, অতিথি নিবাস, পর্যটন কেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনা হয়েছে। সভাধিপতি বলেন, সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হলে মহকুমা পরিষদের আয় যেমন বাড়বে, তেমনই কিছু মানুষের কর্মসংস্থান হবে। আর ওই আয় গ্রামীণ এলাকার উন্নয়নে ব্যয় হবে। তা হলে অল্প টাকার উন্নয়নের জন্য রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে না।
এদিকে, গ্রামীণ এলাকায় প্রচুর সরকারি জমি দখল হয়েছে বলে অভিযোগ। সেই তালিকায় মহকুমা পরিষদের জমিও রয়েছে বলে খবর। সেগুলি উদ্ধার করা এবং গ্রামীণ উন্নয়নের স্বার্থে নতুন করে বাই-ল তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে। মহকুমা পরিষদের এক আধিকারিক জানান, সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলিও অর্থ স্থায়ী সমিতির বৈঠকে আলোচনায় উঠতে পারে।
মহকুমা পরিষদের এক সদস্য বলেন, উত্তরের অন্যতম বড় শহর শিলিগুড়ি। এর সংলগ্ন গ্রামীণ এলাকার চেহারাও আমূল বদলে গিয়েছে। উন্নয়ন নিয়ে মানুষের স্বাদও পালটেছে। কিন্তু, কেন্দ্রীয় সরকার ১০০দিনের টাকা দিচ্ছে না। কেন্দ্রীয় আবাস যোজনার টাকাও বন্ধ। সরকারি বিভিন্ন দপ্তর থেকেও আগের মতো অর্থ মেলে না। তাই মহকুমা পরিষদকে আর্থিকভাবে সাবলম্বী করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সভাধিপতি অরুণ ঘোষ বলেন, গ্রামীণ এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে পরিষদের নিজস্ব আয় বৃদ্ধিতে জোর দেওয়া হচ্ছে। অর্থ স্থায়ী সমিতির বৈঠকেই এ ব্যাপারে চূড়ান্ত রূপ রেখা প্রস্তুত করা হবে।
মহকুমার গ্রামীণ এলাকায় মহকুমা পরিষদের কিছু সম্পত্তি রয়েছে। যারমধ্যে নকশালবাড়ি হাটে কিছু স্টল এবং উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের কাছে একটি মার্কেট রয়েছে। সেগুলি থেকে বার্ষিক আয়ের পরিমাণ সামান্য। এমন প্রেক্ষাপটে মাটিগাড়া, নকশালবাড়ি, খড়িবাড়ি ও ফাঁসিদেওয়া চারটি ব্লকেই নতুন মার্কেট কমপ্লেক্স, অতিথি নিবাস, পর্যটন কেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনা হয়েছে। সভাধিপতি বলেন, সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হলে মহকুমা পরিষদের আয় যেমন বাড়বে, তেমনই কিছু মানুষের কর্মসংস্থান হবে। আর ওই আয় গ্রামীণ এলাকার উন্নয়নে ব্যয় হবে। তা হলে অল্প টাকার উন্নয়নের জন্য রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে না।
এদিকে, গ্রামীণ এলাকায় প্রচুর সরকারি জমি দখল হয়েছে বলে অভিযোগ। সেই তালিকায় মহকুমা পরিষদের জমিও রয়েছে বলে খবর। সেগুলি উদ্ধার করা এবং গ্রামীণ উন্নয়নের স্বার্থে নতুন করে বাই-ল তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে। মহকুমা পরিষদের এক আধিকারিক জানান, সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলিও অর্থ স্থায়ী সমিতির বৈঠকে আলোচনায় উঠতে পারে।



