নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: দেড় বছর ধরে বলে আসছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। প্রাক্তন গভর্নর শক্তিকান্ত দাস একাধিকবার বলেছেন, সবথেকে বড় সঙ্কট মূল্যবৃদ্ধি। কিন্তু সেকথা এতদিন মানতে নারাজ ছিল কেন্দ্রীয় সরকার। এবার স্বয়ং অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন উদ্বেগ প্রকাশ করলেন মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে। যদিও নিজের দায় কিছুটা অস্বীকার করার তাগিদে বারংবার বললেন, বিশ্বজুড়েই মূল্যবৃদ্ধির সঙ্কট রয়েছে। সেই সমস্যা থেকে কেউ মুক্ত নয়। অর্থাৎ পরোক্ষে মানলেন যে ভারতও মূল্যবৃদ্ধির শিকার।
Advertisement
একথাও মানলেন যে, পণ্যের জোগান সমস্যা এবং চাহিদা অনুযায়ী খাদ্য সরবরাহের সমন্বয় না থাকার অন্যতম কারণ। অর্থমন্ত্রী অবশ্য সিংহভাগ দোষ চাপালেন দেশে দেশে অস্থিরতা এবং যুদ্ধের উপর। বুধবার বণিকসভা সিআইআই গ্লোবাল ইকনমিক পলিসি ফোরামে তিনি বলেন, ‘অস্থিরতা কমানোর প্রয়োজনীয়তা সব দেশকে বুঝতে হবে। শান্তি ফেরাতে হবে।
জোগান সমস্যার অন্যতম কারণ হল দেশে দেশে অস্থিরতা বা যুদ্ধ। যার জেরে মূল্যবৃদ্ধি।’রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সদ্য প্রাক্তন গভর্নর শক্তিকান্ত দাস ২০২২ সাল থেকে লাগাতার রেপো রেট বাড়িয়ে গিয়েছিলেন মূল্যবৃদ্ধি কমাতে। কিন্তু তা কমেনি। তিনি ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে স্বীকার করেছিলেন, মূল্যবৃদ্ধি সমস্যার সমাধান নেই রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছে। সরকারকে পরোক্ষে বলেছিলেন কিছু ব্যবস্থা নিতে। কিন্তু মোদি সরকার তারপর থেকেই লাগাতার অস্বীকার করেছে মূল্যবৃদ্ধির সঙ্কট। বরং একের পর এক বাজেট এবং সরকারি সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে।
অর্থমন্ত্রী অবশেষে বলেছেন, মূল্যবৃদ্ধির আশু সমাধান প্রয়োজন। আর এজন্য কৃষি উৎপাদনকে এমন পর্যায়ে বাড়াতে হবে যাতে কৃষকরা যোগ্য দাম পায় এবং উৎসাহিত হয়। একইসঙ্গে যে কোনও ক্ষতির মোকাবিলায় তাদের যেন সাহায্য করে সরকার।’ ঠিক যে সময় বাজেট প্রস্তুতি পুরোদমে চলছে, সেই সময়ই অর্থমন্ত্রী মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে সরকারি স্বীকারোক্তি করায় জল্পনা তৈরি হয়েছে যে, সরকার কি তাহলে কোনও নতুন ঘোষণা করবে? বিশেষ করে এদিন অর্থমন্ত্রী ঠিক সেই কথাগুলিই বলেছেন, যেকথা এতদিন রিজার্ভ ব্যাঙ্ক বলে এসেছে। অর্থাৎ প্রধানত কৃষিপণ্যের যোগানে সমস্যা রয়েছে। তাই দাম কমছে না খাদ্যের। প্রশ্ন হল, এতদিন একথা স্বীকার করেনি কেন মোদি সরকার? এখনই না হঠাৎ স্বীকার করা হচ্ছে কেন?
জোগান সমস্যার অন্যতম কারণ হল দেশে দেশে অস্থিরতা বা যুদ্ধ। যার জেরে মূল্যবৃদ্ধি।’রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সদ্য প্রাক্তন গভর্নর শক্তিকান্ত দাস ২০২২ সাল থেকে লাগাতার রেপো রেট বাড়িয়ে গিয়েছিলেন মূল্যবৃদ্ধি কমাতে। কিন্তু তা কমেনি। তিনি ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে স্বীকার করেছিলেন, মূল্যবৃদ্ধি সমস্যার সমাধান নেই রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছে। সরকারকে পরোক্ষে বলেছিলেন কিছু ব্যবস্থা নিতে। কিন্তু মোদি সরকার তারপর থেকেই লাগাতার অস্বীকার করেছে মূল্যবৃদ্ধির সঙ্কট। বরং একের পর এক বাজেট এবং সরকারি সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে।
অর্থমন্ত্রী অবশেষে বলেছেন, মূল্যবৃদ্ধির আশু সমাধান প্রয়োজন। আর এজন্য কৃষি উৎপাদনকে এমন পর্যায়ে বাড়াতে হবে যাতে কৃষকরা যোগ্য দাম পায় এবং উৎসাহিত হয়। একইসঙ্গে যে কোনও ক্ষতির মোকাবিলায় তাদের যেন সাহায্য করে সরকার।’ ঠিক যে সময় বাজেট প্রস্তুতি পুরোদমে চলছে, সেই সময়ই অর্থমন্ত্রী মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে সরকারি স্বীকারোক্তি করায় জল্পনা তৈরি হয়েছে যে, সরকার কি তাহলে কোনও নতুন ঘোষণা করবে? বিশেষ করে এদিন অর্থমন্ত্রী ঠিক সেই কথাগুলিই বলেছেন, যেকথা এতদিন রিজার্ভ ব্যাঙ্ক বলে এসেছে। অর্থাৎ প্রধানত কৃষিপণ্যের যোগানে সমস্যা রয়েছে। তাই দাম কমছে না খাদ্যের। প্রশ্ন হল, এতদিন একথা স্বীকার করেনি কেন মোদি সরকার? এখনই না হঠাৎ স্বীকার করা হচ্ছে কেন?



