Bartaman Logo
১৩ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মৌসুমি অক্ষরেখার অবস্থান বদল, বাংলায় বৃষ্টির মাত্রা বৃদ্ধির সম্ভাবনা

মৌসুমি অক্ষরেখার পরিবর্তনের ফলে বাংলায় আজ ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। মুর্শিদাবাদে ৭০-২০০ মিমি বৃষ্টির সম্ভাবনা। বিস্তারিত পড়ুন।

মৌসুমি অক্ষরেখার অবস্থান বদল, বাংলায় বৃষ্টির মাত্রা বৃদ্ধির সম্ভাবনা
  • ১৩ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মৌসুমি অক্ষরেখার অবস্থান পরিবর্তনের জেরে আজ সোমবার রাজ্যে বৃষ্টির মাত্রা বাড়তে পারে। জানাচ্ছে আবহাওয়া দপ্তর। মুর্শিদাবাদ ও পূর্ব বর্ধমান জেলার কোনো কোনো জায়গায় ভারী থেকে অতিভারী  বৃষ্টির (২৪ ঘণ্টায় ৭০-২০০ মিমি) সম্ভাবনা থাকছে। এজন্য দেওয়া হয়েছে ‘কমলা’ সতর্কতা। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, নদীয়া ও বীরভূম জেলার কোনো কোনো জায়গায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে। আজ ভারী বৃষ্টি হতে পারে উত্তরবঙ্গ জুড়েই।  মঙ্গল ও বুধবার দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি কিছুটা কমবে। উত্তরবঙ্গের নীচের অংশেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস সোমবারের পর নেই।  বৃহস্পতিবার থেকে পরবর্তী কয়েকদিন ফের দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ওইসময় পশ্চিমবঙ্গ-ওড়িশা উপকূল লাগোয়া উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে প্রথমে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়ে তা শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তর তা জানিয়েছে ইতিমধ্যে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা হবিবুর রহমান বিশ্বাস জানান, ঘূর্ণাবর্ত-নিম্নচাপের গতিপ্রকৃতির দিকে নজর রেখে পরে আরও নির্দিষ্ট পূর্বাভাস দেওয়া হবে। 

Advertisement

মৌসুমি অক্ষরেখা এদিন রাজস্থান থেকে উত্তরপ্রদেশ, বিহার হয়ে দক্ষিণ অসম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। অক্ষরেখাটি আজ কিছুটা নেমে আসার জন্য দক্ষিণ ও উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি বাড়বে। মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। দক্ষিণ বাংলাদেশের উপর এদিন ঘূর্ণাবর্ত ছিল। কয়েকদিন ধরে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি কিছুটা বেশি হচ্ছে। তার কারণ মূলত বাংলাদেশের উপর অবস্থিত এই ঘূর্ণাবর্ত। তবে মৌসুমি অক্ষরেখার অবস্থান পরিবর্তনের ফলে শুক্রবারের পর দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি আগের তুলনায় খানিকটা কমেছে। দিনকয়েক আগে অক্ষরেখাটি দক্ষিণবঙ্গের উপর চলে এসেছিল। সেটির অবস্থান ফের বদলের কারণে সোমবারের পর দুদিন বৃষ্টি কিছুটা কমবে। 
রবিবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণবঙ্গে সবথেকে বেশি বৃষ্টি হয়েছে দমদমে (৪০ মিমি)। উত্তরবঙ্গে সবথেকে বেশি ৯০ মিমি বৃষ্টি হয়েছে কোচবিহারের পুন্ডিবাড়িতে। সার্বিকভাবে বর্ষাকালে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ স্বাভাবিক রয়েছে। একটি ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে পূর্ব উত্তরপ্রদেশ এবং বিহারে বৃষ্টিপাত বেড়েছে। দেশের যেসব অংশে বৃষ্টির ঘাটতি রয়েছে তার মধ্যে এই দুটি অংশ উল্লেখযোগ্য। উপকূলীয় অন্ধ্র, তেলেঙ্গানা ছাড়া মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, কেরল ,গুজরাত ও পাঞ্জাবের কিছু অংশে বৃষ্টির ঘাটতি রয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ