নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: এতদিন ভিআইপি রোড থেকে সল্টলেকে প্রবেশের জন্য বেইলি ব্রিজ ছিল। কিন্তু, তা ছিল ওয়ানওয়ে। নাগরিকদের যাতায়াতের সুবিধার্থে ভোটের আগে সল্টলেক ও ভিআইপি রোডের মধ্যে সংযোগকারী নতুন একটি বেইলি ব্রিজ চালু হয়েছে। তাতে প্রতিদিন উপকৃত হচ্ছেন কয়েক হাজার মানুষ। কিন্তু, বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই নতুন বেইলি ব্রিজের দু’ধারে তারের জালের গার্ডওয়াল নেই। ফলে, একটু অসাবধান হলেই কেষ্টপুরে খালে! এই ব্রিজের দু’ধারে রয়েছে বড়ো বড়ো ফাঁকা অংশ। সেখান দিয়ে গলে যেতে পারে আস্ত মানুষ, এমনকি বাইকও পড়ে যেতে পারে। সুরক্ষার বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী পরিকল্পনা করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
কলকাতাগামী ভিআইপি রোডে লেকটাউন ট্রাফিক গার্ডের ঠিক আগে রয়েছে পুরানো বেইলি ব্রিজ। সেই ব্রিজ টপকে গাড়ি কেবলমাত্র সল্টলেকের দিকেই যেতে পারে। উলটো দিক থেকে গাড়ি আসার সুযোগ আগে ছিল না। সল্টলেকের বাসিন্দাদের দাবি মেনে ট্রাফিক পুলিশ দ্বিতীয় বেইলি ব্রিজ করার প্রস্তাব দিয়েছিল। সেইমতো সমীক্ষাও করা হয়েছিল। অবশেষে ভোটের আগেই গত মার্চ মাসে ভিআইপি রোড ও সল্টলেকের মধ্যে সংযোগকারী দ্বিতীয় বেইলি ব্রিজ চালু হয়েছে। যার একদিকে সল্টলেক খালপাড়ের এএ ব্লক, অন্যদিকে ভিআইপি রোডের গোলাঘাটা। তার মাঝেই কেষ্টপুর খালের উপর তৈরি হয়েছে নতুন ব্রিজ। এই ব্রিজের সবচেয়ে ভালো দিক হল, উভয় দিকে যান চলাচল করতে পারছে। অর্থাৎ, সল্টলেক থেকে যে কোনো গাড়ি সরাসরি ভিআইপি রোডে উঠতে পারছে, আবার ভিআইপি রোড থেকে সল্টলেকেও যেতে পারছে। এর ফলে সল্টলেকের ৪ নম্বর ট্যাঙ্কের কাছে যানজট ও গাড়ির চাপ কমেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বেইলি ব্রিজের দু’ধারই বিপজ্জনক। রাস্তায় কিছু জায়গায় লোহার পাত উঠে রয়েছে। বাইক চালকদের বিপদ সবচেয়ে বেশি। কারণ, তাঁরা সাধারণত রাস্তার ধার দিয়েই যাতায়াত করেন। একটু অসতর্ক হলেই যে কোনো সময় খালের জলে পড়ে যেতে পারেন যে কেউ। তাই সুরক্ষার স্বার্থে দু’ধারে জাল দেওয়া প্রয়োজন। প্রশাসনের দাবি, ব্রিজের দু’ধারে হলুদ রং করে ডিমারকেশন করা হয়েছে। রাতের দিকে দু’ধারের দূরত্ব যাতে বোঝা যায়, তার জন্য রিফ্লেক্টরও দেওয়া হয়েছে। জালের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।