নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বড়তলায় একাকী বৃদ্ধের বাড়ি ঢুকে ধারাল অস্ত্র দেখিয়ে সর্বস্ব লুট। এই ঘটনার পর আতঙ্কে শহরের প্রবীণ নাগরিকরা। এই ঘটনার চারদিন কেটে গিয়েছে। কোনও দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার সম্ভব হয়নি। বস্তুত অভিযুক্তদের চিহ্নিতই করতে পারেনি পুলিস। এই পরিস্থিতিতে প্রবীণ নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে শহরের সবকটি থানাকে বিশেষ নির্দেশ দিলেন কলকাতার পুলিস কমিশনার মনোজকুমার ভার্মা।
Advertisement
সিপির বার্তা, ‘শহরের প্রবীণ নাগরিকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে রিভিউ করে দেখুন।’ লালবাজার সূত্রে খবর, কোথায় কোন প্রবীণ একা থাকেন, তাঁদের পরিবারে কে আছেন, তাঁরা কলকাতা পুলিসের ‘প্রণাম’ কমিউনিটির সদস্য কি না, এ সমস্ত বিষয় জানতে থানাগুলির কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন পুলিসকর্তা। লালবাজার জানিয়েছে, শহরে একা থাকা প্রবীণ নাগরিকদের পাশে কলকাতা পুলিস সবসময় আছে। তাঁদের সমস্তরকম সহায়তার জন্য ‘প্রণাম’ প্রকল্প শুরু করেছিল পুলিস। বর্তমানে শহরের সবকটি থানা মিলিয়ে এই কমিউনিটির সদস্য ১২ হাজার। তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন থানার সার্জেন্ট ও অন্যান্য অফিসাররা। তবে এখনও শহরের বহু বৃদ্ধ-বৃদ্ধা প্রণামের অন্তর্ভুক্ত নন। তাঁদের দ্রুত চিহ্নিত করার নির্দেশ দিয়েছেন পুলিস প্রধান। প্রবীণের বাড়ি কোনও পরিচারিকা কাজ করেন কি না, নিয়মিত কারা বাড়িতে যাওয়া-আসা করেন, এ সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য পরিবারের সদস্য ছাড়া আর কাদের কাছে রয়েছে, এই সমস্ত বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করবে স্থানীয় থানা। হরিদেবপুর থানা এলাকায় একা থাকেন প্রবীণ নাগরিক রাকেশ আগরওয়াল। তিনি বলেন, ‘বড়তলায় লুটের ঘটনা সংবাদমাধ্যমে দেখেছি। এই ঘটনার পর আমরা আতঙ্কিত। পুলিসের নজরদারির প্রয়োজন। না হলে এরকম ঘটনা আরও ঘটবে।’



