ভুবনেশ্বর: রাস্তার পাশে পড়েছিল তিনদিনের শিশুকন্যা। তাকে কুড়িয়ে এনে সন্তানস্নেহে লালন-পালন শুরু করেন ওড়িশার নিঃসন্তান দম্পতি। বছরখানেক পরই স্বামীর মৃত্যু হয়। তারপর মহিলার কোলে-পিঠেই তিলে তিলে বড় হয়ে ওঠে মেয়েটি। মাঝে কেটে গিয়েছে ১৩ বছর। শেষপর্যন্ত ওই পালিত কন্যাই হত্যা করল মাকে। মৃতের নাম রাজলক্ষ্মী কর (৫৪)। ওড়িশার গজপতি জেলার ঘটনা। অভিযোগ, প্রেমে বাধা পেয়েই মাকে খুন করে তেরো বছরের মেয়েটি। ঘটনায় জড়িত তার দুই প্রেমিক গণেশ রথ (২১) ও দীনেশ সাহু (২০)। তদন্তে নেমে অভিযুক্ত অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ও তার দুই প্রেমিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। জানা গিয়েছে, মায়ের গয়না চুরি করে এক প্রেমিকের হাতে তুলে দিয়েছিল মেয়েটি। জানা গিয়েছে, দুই যুবকের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মায়ের সঙ্গে শুরু থেকেই ঝামেলা চলছিল মেয়েটির। এরইমধ্যে মাকে খুন করে সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার ছক কষে পালিত মেয়ে। তাকে এই কাজে মদত দেয় তার দুই প্রেমিক। ২৯ এপ্রিল মাকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ায় সে। এরপর দুই প্রেমিককে খবর দেয়। পরে তিনজন মিলে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে রাজলক্ষ্মীকে। অপরাধ আড়াল করতে মায়ের হার্ট অ্যাটাকের গল্প ফাঁদে মেয়েটি।



