অলকাভ নিয়োগী, বিধাননগর: টাচ স্ক্রিনে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে ‘স্মার্টফোনের জীবন’। বাজার ধরছে ডিজিটাল, অনলাইন কারবার। কিন্তু এই ডিজিটাল সময়েও নতুন বইয়ের কদর কমেনি। তাই কলকাতা বইমেলায় প্রতিবার বইয়ের বিক্রি বাড়ছে। কিন্তু পাঠকদের জন্য এই প্রথমবার বইমেলায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল কাগজের ম্যাপ। ভরসা রাখা হয়েছিল শুধুমাত্র কিউআর কোডের উপর। যেখানে স্ক্যান করলে মিলেছে অনলাইন ম্যাপ। কিন্তু বহু মানুষের হাতে এখনও স্মার্টফোন নেই। অনেকে ঠিকমতো স্ক্যানও করতে পারেননি। সেই বহু বইপ্রেমী এবার পছন্দের স্টল খুঁজতে গিয়ে চরম সমস্যায় পড়েছিলেন। তাই শুধুমাত্র কিউআর কোডে আর ভরসা নয়। আগামী বইমেলায় ফিরতে চলেছে চেনা কাগজের ম্যাচ। গিল্ড জানিয়েছে, বইপ্রেমীদের কথা ভেবেই এই পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
Advertisement
কাগজের ম্যাপ বইমেলার ঐতিহ্য। গতবার কিউআর কোড চালু হলেও কাগজের ম্যাপও রাখা হয়েছিল। কিন্তু এবার সে ম্যাপ পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। বইমেলার ন’টি গেটের বাইরে এবং ভিতরের বিভিন্ন জায়গায় কিউআর কোড রাখা হয়েছিল। গতবার ১৪ দিনে ২৭ লক্ষ মানুষ এসেছিলেন। বই বিক্রি হয়েছিল ২৩ কোটি টাকার। এবার মেলা একদিন কম হলেও ২৭ লক্ষ মানুষ এসেছিলেন। বিক্রি বেড়ে হয়েছে ২৫ কোটি টাকার। সবাই কিউআর কোড স্ক্যান করতে পারেননি। এবার প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ গিল্ড অফিসের সামনে গিয়ে কাগজের ম্যাপের খোঁজ করেছেন। কিন্তু নিরাশ হয়ে তাঁদের ফিরতে হয়েছে।
বহু বইপ্রেমীর কথায়, ডিজিটাল যুগে তাঁরা কাগজের পাতায় ছাপা অক্ষরের বই কিনতে মেলায় যান। তাহলে কাগজের ম্যাপ তুলে দিয়ে ডিজিটাল করা হচ্ছে কেন? তাঁদের যুক্তি স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেশি। তাই কিউআর কোড অবশ্যই থাকুক। কিন্তু সেই সঙ্গে পুরনো কাগজের ম্যাপও থাকুক। যাতে সকলের সুবিধা হয়। কারণ শিশু-তরুণ থেকে বৃদ্ধ, বইমেলা তো সবার। পাবলিসার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক সুধাংশুশেখর দে বলেন, কিউআর কোডে লক্ষ লক্ষ মানুষের সুবিধা হয়েছে। এবার লোকেশন যুক্ত করায় স্টল খুঁজে পেতেও সুবিধা হয়েছে। তবে এটা ঠিক, বহু মানুষ কাগজের ম্যাপও চাইতে এসেছিলেন। আমরা বিষয়টি লক্ষ্য করেছি। তাই পরিকল্পনা নিচ্ছি যাতে আগামী বইমেলায় কিউআর কোডের সঙ্গে কাগজের ম্যাপও কিছু থাকে। যাঁরা স্ক্যান করতে পারবেন না, তাঁরা সেই চেনা ম্যাপ সংগ্রহ করতে পারবেন। ফাইল চিত্র
বহু বইপ্রেমীর কথায়, ডিজিটাল যুগে তাঁরা কাগজের পাতায় ছাপা অক্ষরের বই কিনতে মেলায় যান। তাহলে কাগজের ম্যাপ তুলে দিয়ে ডিজিটাল করা হচ্ছে কেন? তাঁদের যুক্তি স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেশি। তাই কিউআর কোড অবশ্যই থাকুক। কিন্তু সেই সঙ্গে পুরনো কাগজের ম্যাপও থাকুক। যাতে সকলের সুবিধা হয়। কারণ শিশু-তরুণ থেকে বৃদ্ধ, বইমেলা তো সবার। পাবলিসার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক সুধাংশুশেখর দে বলেন, কিউআর কোডে লক্ষ লক্ষ মানুষের সুবিধা হয়েছে। এবার লোকেশন যুক্ত করায় স্টল খুঁজে পেতেও সুবিধা হয়েছে। তবে এটা ঠিক, বহু মানুষ কাগজের ম্যাপও চাইতে এসেছিলেন। আমরা বিষয়টি লক্ষ্য করেছি। তাই পরিকল্পনা নিচ্ছি যাতে আগামী বইমেলায় কিউআর কোডের সঙ্গে কাগজের ম্যাপও কিছু থাকে। যাঁরা স্ক্যান করতে পারবেন না, তাঁরা সেই চেনা ম্যাপ সংগ্রহ করতে পারবেন। ফাইল চিত্র



