গড়িয়ার আশি ঊর্ধ্ব বৃদ্ধ বারবার নিউমোনিয়ার সমস্যা নিয়ে ভর্তি হচ্ছিলেন হাসপাতালে। এবারেও বাঁদিকের বুকে নিউমোনিয়া নিয়ে ভর্তি হন সল্টলেকের ক্যালকাটা হার্ট ক্লিনিক অ্যান্ড হসপিটালে। নিউমোনিয়া ততক্ষণে সেপসিস সহ মাল্টি অর্গ্যান ডিসফাংশন এর রূপ নিয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে রক্তে বেড়েছে কার্বন-ডাই-অক্সাইড-এর মাত্রা এবং কমেছে অক্সিজেন। ভেন্টিলেশনে দিতে হয় বৃদ্ধকে। ধীরে ধীরে সাড়া দিতে থাকেন চিকিৎসায়। একের পর এক অর্গ্যান সিস্টেম আবার আগের জায়গায় ফিরতে শুরু করে। ভেন্টিলেশন থেকে বের করা গেলেও পুরোপুরি সুস্থতা আসছিল না। এই অবস্থায় বুকের হাই রেজোলিউশন সিটি স্ক্যান করে দেখা যায় যে নিউমোনিয়া তখনও আছে। পালমোনোলজিস্ট ডাঃ চন্দন শীটের নেতৃত্বে তাঁর ব্রঙ্কোস্কোপি হয়। বের করতে ব্যর্থ হন চিকিৎসক দল এই অবস্থায় রিজিড ব্রঙ্কোস্কোপি করার সিদ্ধান্ত হয়। আর তাতেই হয় মুশকিল আসান। দেখা যায় বৃদ্ধের শ্বাসনালীতে আটকে রয়েছে চিনাবাদাম। রিজিড ব্রঙ্কোস্কোপির সাহায্যে এক এক করে বের করা হয় বাদামগুলি। শ্বাসনালীতে আটকে ছিল তিন তিনটি বাদাম। বৃদ্ধকে নতুন জীবন দিতে পেরে খুশি চিকিৎসকবৃন্দ।



