Bartaman Logo
৫ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

অভিমান ভুলে সকলকে ময়দানে নামার বার্তা শতাব্দীর

প্রার্থী ঘোষণার পর প্রথম নির্বাচনী প্রচারে এলেন বীরভুমের সাংসদ শতাব্দী রায়। শুক্রবার সকাল থেকেই সিউড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে কড়িধ্যা, বড়মহুলা, মৌল-পাঁচকাট এলাকায় প্রচারে নামেন তিনি।

অভিমান ভুলে সকলকে ময়দানে নামার বার্তা শতাব্দীর
  • ২৮ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: প্রার্থী ঘোষণার পর প্রথম নির্বাচনী প্রচারে এলেন বীরভুমের সাংসদ শতাব্দী রায়। শুক্রবার সকাল থেকেই সিউড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে কড়িধ্যা, বড়মহুলা, মৌল-পাঁচকাট এলাকায় প্রচারে নামেন তিনি। বড়মহুলাতে শতাব্দীর হাত ধরে সিপিএম ছেড়ে একদল কর্মী তৃণমূলে যোগ দেন। তবে প্রচারের উত্তাপের মাঝেই এদিন শতাব্দীর গলায় শোনা গেল কড়া অনুশাসন আর ঐক্যের বার্তা। তাঁর সাফ কথা, এই নির্বাচন মমতাকে ফের মুখ্যমন্ত্রী করার নির্বাচন। ব্যক্তিগত অভিমান সরিয়ে দলের জন্য এককাট্টা হয়ে ময়দানে নামতে হবে। পাশাপাশি এদিন প্রচারে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া বা এসআইআর ইস্যুতে কেন্দ্রকেও চড়া সুরে আক্রমণ করেন শতাব্দী। ভোটারদের কাছে তাঁর আবেদন, জনবিরোধী বিজেপিকে হটিয়ে ফের উন্নয়নের পক্ষে ভোট দিন। 

Advertisement

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সিউড়ি জেলা পার্টি অফিসে দলীয় নেতাদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন শতাব্দী। প্রাক্তন বিধায়ক স্বপন ঘোষ থেকে শুরু করে উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায়, উপস্থিত ছিলেন সকলেই। সূত্রের খবর, বিদায়ী বিধায়ক বিকাশ রায়চৌধুরীকে এবার টিকিট না দেওয়া নিয়ে দলের অন্দরে যে ক্ষোভের মেঘ জমেছে, তা কাটাতে শতাব্দী সরাসরি বলেন, বিকাশবাবুকে দল প্রার্থী করেনি, তাতে কারও খারাপ লাগতেই পারে। কিন্তু তা বলে নির্বাচনে বসে গেলে হবে না। তৃণমূল কংগ্রেস থাকলে তবেই পদ থাকবে, ক্ষমতা থাকবে। সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

সম্পর্কিত সংবাদ