সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: দেউলটির সামতাবেড় গ্রামে জীবনের শেষ বারো বছর কাটিয়েছিলেন কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। সেই শরৎকুঠিকে এবার কালীপুজোয় নিজেদের ভাবনায় ফুটিয়ে তুলছে বাগনানের বাঙালপুর বয়েজ ক্লাব। এই পুজো এবার ১০৪ তম বর্ষে পদার্পণ করবে। মণ্ডপটি তৈরি হচ্ছে কথাশিল্পীর বাড়ির আদলে। ঠিক যেন টালির চালের সেই দ্বিতল বাড়ি। ওই বাড়ির সামনে যেমন পরিবেশ রয়েছে, সেই পরিবেশকেও মণ্ডপে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, শরৎকুঠির ঘরে বসে কথাশিল্পী বিভিন্ন উপন্যাস লিখেছিলেন, মণ্ডপের ভিতর সেভাবেই ঘর তৈরি করা হচ্ছে। উদ্যোক্তাদের বক্তব্য, মণ্ডপ নির্মাণের ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে। বাঙালপুর বয়েজ ক্লাবের সম্পাদক বিপ্লব ঘোষ বলেন, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম সার্ধশতবর্ষের পাশাপাশি সামতাবেড় গ্রামের বাড়িটিও শতবর্ষে পা দিল এই বছর। এ কারণেই এবার আমরা শরৎকুঠিকে আমাদের শ্যামাপুজোর মণ্ডপ ভাবনায় ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি। এখানে থাকাকালীন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় একাধিক কালজয়ী উপন্যাস লিখেছিলেন। শরৎ অনুগামীদের কাছে কথাশিল্পীর সেই বাড়িকে তুলে ধরতেই আমাদের এই ভাবনা। বিপ্লববাবু বলেন, পুজোকে কেন্দ্র করে গাছের চারা ও মশারি বিতরণ, বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা শিবির ছাড়াও
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। নিজস্ব চিত্র



