মুম্বই: মহিলাদের জন্য নির্ধারিত ভাতা পেয়েছেন প্রায় পনের হাজার পুরুষ। ভাতা প্রাপকের তালিকায় ১০ লক্ষ করদাতা, ৫ লক্ষ সরকারি কর্মচারীও রয়েছেন। এমনকি গাড়ির মালিক হলে এই মাসিক ভাতা পাওয়ার কথা নয়। অথচ মহারাষ্ট্রে কয়েক লক্ষ গাড়ি মালিকেরও ‘লাডকি বহিন যোজনা’য় মাসে দেড় হাজার টাকা করে পেতে অসুবিধা হয়নি। অযোগ্যদের এভাবে প্রকল্পের সুবিধা দেওয়ায় সরকারের ক্ষতি হয়েছে ২৪ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। এমনই অভিযোগ তুলে দেবেন্দ্র ফড়নবিশ সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে শারদ পাওয়ারের দল এনসিপি (এসপি)।
তাদের অভিযোগ, ২০২৪ সালে বিধানসভা ভোটে ফায়দা তুলতেই এইভাবে যাচাই না করে অর্থ বিলি করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই নিয়ে উত্তাল মহারাষ্ট্র। শারদের দলের মুখপাত্র মহেশ তাপাশে এই অভিযোগ তুলে প্রশ্ন তুলেছেন, বিজেপি সরকার সুশাসন এবং প্রশাসনে স্বচ্ছ্বতা আনার কথা বলে, তারা কীভাবে এই কাজে অনুমোদন দিল? তাঁর কথায়, ‘মহারাষ্ট্রের মানুষের এই প্রশ্নের উত্তর জানার অধিকার রয়েছে। এটা জনকল্যাণমূলক প্রকল্প নাকি করদাতাদের টাকায় নির্বাচনি প্রচার ছিল? সরকার এই ব্যর্থতার নৈতিক দায় এড়াতে পারে না।’ তাঁর আরও অভিযোগ, ভোটদাতাদের প্রভাবিত করতে ইচ্ছা করে উপভোক্তাদের নথি যাচাই প্রক্রিয়া এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। মহারাষ্ট্রের ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে বড় আর্থিক কেলেঙ্কারি। কে উপভোক্তাদের নথি যাচাই ছাড়া অর্থ দিতে সম্মতি দিল? অযোগ্যদের চিহ্নিত করতে কারা ব্যর্থ হল, এসব ফড়নবিশ সরকারের সামনে আনা উচিত। দোষীদের বিরুদ্ধে কী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তাও সরকারকে জানাতে হবে।