Bartaman Logo
৬ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বেহাল দশা কাটিয়ে শান্তিপুর থেকে কালনা ঘাট সড়ক সংস্কারের পথে

দীর্ঘদিন ধরে ভগ্নদশায় পড়ে থাকা শান্তিপুর–কালনা ঘাট সড়ক অবশেষে পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের মুখ দেখতে চলেছে।

বেহাল দশা কাটিয়ে শান্তিপুর থেকে কালনা ঘাট সড়ক সংস্কারের পথে
  • ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: দীর্ঘদিন ধরে ভগ্নদশায় পড়ে থাকা শান্তিপুর–কালনা ঘাট সড়ক অবশেষে পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের মুখ দেখতে চলেছে। নদীয়া জেলার গুরুত্বপূর্ণ এই যোগাযোগপথের উন্নয়নের জন্য প্রায় আড়াই কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকারের পূর্ত দপ্তর। নদীয়া হাইওয়ে ডিভিশন-২-এর আওতাধীন এই রাস্তার প্রায় ৮ কিলোমিটার অংশ নতুন করে সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি পূর্ত দপ্তরের তরফে এই সংক্রান্ত সরকারি ওয়ার্ক অর্ডার জারি হয়েছে।

Advertisement

পূর্ত দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, শান্তিপুরের বিধায়ক ব্রজকিশোর গোস্বামী দীর্ঘদিন ধরে এই রাস্তার বেহাল অবস্থার বিষয়টি তুলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে তদ্বির করছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের তরফে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর তিনি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরেন। তারই ফলস্বরূপ প্রশাসনিক স্তরে উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং অবশেষে প্রকল্পের জন্য অর্থ বরাদ্দের সিদ্ধান্ত হয়। সরকারি নথি অনুযায়ী, এই প্রকল্পের আনুমানিক চূড়ান্ত টেন্ডার মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ২কোটি ৩৫ লক্ষ ২২ হাজার ৫৯৩ টাকা। সংশ্লিষ্ট কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে একটি বেসরকারি সংস্থাকে। শুধু রাস্তার উপরের স্তর সংস্কারই নয়, এই প্রকল্পে প্রায় ২০০ মিটার অতিরিক্ত সুরক্ষা ও সংরক্ষণমূলক কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বর্ষায় জলক্ষয়, জল জমে রাস্তা ভেঙে যাওয়া এবং ভবিষ্যতে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা ঠেকাতেই এই সুরক্ষা ব্যবস্থার পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে পূর্ত দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে।

প্রসঙ্গত, এই প্রকল্পের প্রশাসনিক অনুমোদন আগেই মিলেছিল। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে চূড়ান্ত ওয়ার্ক অর্ডার জারি হওয়ায় কাজ শুরুর সবুজ সংকেত মিলেছে।

দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় থাকা শান্তিপুর–কালনা ঘাট সড়কটি শুধু শহরই নয়, পার্শ্ববর্তী গ্রামীণ এলাকা এবং হুগলি ও পূর্ব বর্ধমান জেলার সঙ্গে যোগাযোগের এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। শান্তিপুরের বিধায়ক ব্রজকিশোর গোস্বামী বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের থেকে দীর্ঘদিন ধরেই এই রাস্তার বেহাল দশা নিয়ে অভিযোগ আসছিল। বিষয়টি নিয়ে আমি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে আবেদন জানাই। তারই ভিত্তিতে পূর্ত দপ্তর অর্থ বরাদ্দ করেছে। একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমি দপ্তরের কাছে কৃতজ্ঞ। নতুন করে রাস্তা সংস্কারের কাজের বরাত ঘোষণা হওয়ায় খুশি স্থানীয়রা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ