Bartaman Logo
৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মিনার্ভা ফুটবল অ্যাকাডেমিতে শালবনীর দুই খুদে

সম্প্রতি ব্রাজিলের দলকে ২-১ গোলে হারিয়ে অনূর্ধ্ব ১২ ওয়ার্ল্ড ইয়ুথ কাপ জিতে আসা পাঞ্জাবের মিনার্ভা অ্যাকাডেমিতে যোগদানের সুযোগ পেল শালবনীর দুই খুদে ফুটবলার

মিনার্ভা ফুটবল অ্যাকাডেমিতে শালবনীর দুই খুদে
  • ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: সম্প্রতি ব্রাজিলের দলকে ২-১ গোলে হারিয়ে অনূর্ধ্ব ১২ ওয়ার্ল্ড ইয়ুথ কাপ জিতে আসা পাঞ্জাবের মিনার্ভা অ্যাকাডেমিতে যোগদানের সুযোগ পেল শালবনীর দুই খুদে ফুটবলার। মেদিনীপুর শহরের রোহন মাহাত ও সমর বাসফোড় পৌঁছে গিয়েছে মিনার্ভার প্রশিক্ষণ শিবিরে। মধ্যবিত্ত পরিবারের এই দুই কিশোরের স্বপ্ন, ভারতীয় দলের জার্সি গায়ে মাঠে নামা। তাঁদের সাফল্যে খুশি মেদিনীপুরের মানুষ। রোহন ও সমর দু’জনেই মেদিনীপুরের নির্মল হৃদয় স্কুলের পড়ুয়া। রোহন সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। মাঝমাঠে খেলে। অন্যদিকে অষ্টম শ্রেণির সমর খেলে সাইড ব্যাকে। ট্রায়ালে নজরকাড়া পারফরম্যান্সের জেরেই মিনার্ভা অ্যাকাডেমিতে তাঁদের সুযোগ মিলেছে। শালবনী নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু স্টেডিয়ামে ২০১১ সালে তৈরি হয় শালবনী জাগরণ ফুটবল অ্যাকাডেমি। মূলত মহিলা ফুটবলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে চলেছে এই অ্যাকাডেমি। পরবর্তীতে জাগরণ ফুটবল অ্যাকাডেমির সঙ্গে যুক্ত হয়ে সাংসদ জুন মালিয়ার উদ্যোগে বয়সভিত্তিক ফুটবল প্রশিক্ষণের জন্য ২০২২ সালে শুরু হয় শালবনী ফুটবল অ্যাকাডেমি। গত তিন বছর ধরে সেখানেই প্রশিক্ষণ নিচ্ছিল রোহন ও সমর। অ্যাকাডেমি সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতীয় ফুটবল দলের প্রাক্তন অধিনায়ক সুব্রত পালও একসময় এই অ্যাকাডেমির মেন্টর হিসেবে কাজ করেছেন। বর্তমানে অনূর্ধ্ব১২, অনূর্ধ্ব১৪ ও অনূর্ধ্ব১৭ বিভাগে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি মহিলা ফুটবলেরও চর্চা হয়। অ্যকাডেমির দুই কোচ রাজীব ঘোষ ও তাপস ঘোষ লাইসেন্সপ্রাপ্ত। অন্যদিকে, পাঞ্জাবের মিনার্ভা অ্যাকাডেমি দীর্ঘদিন ধরেই ফুটবলার তৈরির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। পেশাদার ফুটবল প্রশিক্ষণের পাশাপাশি পড়াশোনা ও ব্যক্তিত্বের বিকাশের উপরও জোর দেওয়া হয় সেখানে। প্রতিষ্ঠাতা রণজিৎ বাজাজের নেতৃত্বে অ্যাকাডেমিটি একাধিক প্রতিভাবান ফুটবলার তৈরি করেছে। মিনার্ভায় সুযোগ পাওয়ার পর রোহন ও সমরের চোখে এখন আরও বড় স্বপ্ন। দুজনেই জানিয়েছে, দেশের হয়ে খেলতে চায়। ছেলেদের সাফল্যে খুশি তাদের পরিবারও। রোহনের বাবা সাধন মাহাতো এবং সমরের বাবা কৃষ্ণ বাসফোড় বলেন, ওরা দু’জনেই মিনার্ভায় চলে গিয়েছে। নির্মল হৃদয় স্কুলও বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছে। শালবনী ফুটবল অ্যাকাডেমির সহযোগিতা ভোলার নয়।আমরা চাই, ওরা একদিন দেশের নাম উজ্জ্বল করুক।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ