সংবাদদাতা, নাগরাকাটা: তিস্তা নদীর জলে প্লাবিত হয়ে ক্রান্তি ব্লকের ক্রান্তি ও চাঁপাডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের বেশ কয়েকটি গ্রামীণ রাস্তার কঙ্কাল বেরিয়ে এসেছে। রাস্তাগুলির অবস্থা এতটাই শোচনীয় যে চলার অযোগ্য হয়ে গিয়েছে। ফলে দৈনিক বিপাকে পড়ছেন হাজার হাজার বাসিন্দা। এমনকী ওসব রাস্তা দিয়ে বাধ্য হয়ে চলতে গিয়ে প্রতিনিয়তই দুর্ঘটনার মুখে পড়ছেন গ্রামবাসীরা। রাস্তার এমন অবস্থায় বাইরের গ্রাম পঞ্চায়েতের টোটো আসতে চাইছে না। ভুক্তভোগী বাসিন্দারা ভাঙাচোরা রাস্তাগুলি সংস্কার করার দাবি জানিয়েছেন।
কেরানিপাড়ার বাসিন্দা তথা চাঁপাডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য গোবিন্দ রায় বলেন, কিছুদিন আগে এলাকার বেশ কয়েকটি রাস্তা তিস্তার জলের তলায় ছিল। জল কমে যাওয়ার পর এখন দেখা যাচ্ছে রাস্তা থেকে পিচ সরে গিয়ে নুড়িপাথর বেরিয়ে এসেছে। কোথাও কোথাও গর্ত হয়ে গিয়েছে। ফলে রাতে ওসব রাস্তা দিয়ে চলতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার মুখে পড়ছেন বাইক, স্কুটার চালকরা। রাস্তাটি মেরামত করার ব্যাপারে গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে বলা হয়েছে। পুজোর আগে রাস্তা সংস্কার করার আর্জি জানানো হয়েছে।
ক্রান্তি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পঞ্চানন রায় বলেন, আমরা ওই রাস্তাগুলি মেরামতের জন্য একটা এস্টিমেট তৈরি করে ব্লক প্রশাসনের মাধ্যমে জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠিয়েছি। অনুমোদন এলেই কাজ শুরু করা হবে।
বাসুসুবার কেরানিপাড়া থেকে হাবিরুদ্দিন স্মৃতি প্রাইমারি স্কুল পর্যন্ত দেড় কিমি রাস্তা জলের তলায় থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আবার মাস্টারপাড়া থেকে বাসুসুবা পর্যন্ত এক কিমি রাস্তাও ভেঙে গিয়েছে। সরস্বতী মোড় থেকে বাগরাবাড়ি পর্যন্ত ৭০০ মিটার রাস্তা, সাঙ্গোপাড়া থেকে বালাপাড়া এক কিমি, দাসের মোড় থেকে তিস্তার বাঁ হাতি গাইড ভায়া কালীরমাঠ পর্যন্ত দেড় কিমি রাস্তা বর্ষায় মারাত্মকভাবে ক্ষতি হয়েছে। ক্রান্তি গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ খালপাড়া মৌজার জুম্মাটারি পর্যন্ত দুই কিমি রাস্তাও নষ্ট হয়ে গিয়েছে। • নিজস্ব চিত্র।