নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কেউ এলেন ছেলের খুনের সঠিক বিচার চাইতে, কেউ এলেন অন্যায়ভাবে বন্ধ করে দেওয়া বেতন পুনরায় চালুর অনুরোধ নিয়ে। শুক্রবার সল্টলেকে বিজেপির সদর দফতরে বসেছিল জনতার দরবারে। সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ একাধিক সাহায্যপ্রার্থী।
মাস চারেক আগে বন্ধুরা ডেকে নিয়ে গিয়েছিলেন। তারপর আর বাড়ি ফেরেননি বনগাঁর রাহুল দে (২৬)। তাঁর মা ভারতী দে এসেছিলেন বিজেপি অফিসে। তাঁর অভিযোগ, পুলিশ দুর্ঘটনার খবর বলে তাঁদের জানিয়েছিল। কিন্তু হাসপাতালে গিয়ে তাঁরা জানতে পারেন, ছেলে খুন হয়েছে। ছেলের বন্ধুর বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ তাঁদের। এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ। তা জানিয়ে ছেলের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে এবং সঠিক বিচারের আশায় জনতার দরবারে আসেন শুক্রবার। বাঁকুড়ার বরজোড়া থেকে এসেছিলেন সন্দীপ মণ্ডল নামে এক ব্যক্তি। তিনি জানান, দাস দামোদর কোলমাইনে কর্মরত ছিলেন। সেটি বিদ্যুৎ দপ্তরের দুর্গাপুর প্রজেক্ট লিমিটেডের অধীনে। তবে তিনি ভারতীয় মজদুর সংঘের সঙ্গে যুক্ত বলে তৃণমূল সরকার ৬২ মাসের বেতন বন্ধ করে দিয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তাঁর আবেদন, বকেয়া বেতন ফিরিয়ে দেওয়া হোক। এর পাশাপাশি কলকাতা পুরসভা ন্যাশনাল হেলথ মিশনের চারজন চিকিৎসক এসেছিলেন। তাঁদের বক্তব্য, ৭০ বছর পর্যন্ত চাকরি থাকার কথা। কিন্তু ৬৫ বছর হয়ে গিয়েছে বলে স্বাস্থ্যদপ্তর চাকরি নেই বলে জানিয়ে দেয়। তাঁদের দাবি, আতান্তরে পড়েছেন। পেনশন নেই বলে অবস্থা বেহাল। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সুরাহা চাইতে এসেছেন জনতার দরবারে।


