সংবাদদাতা, বারুইপুর: অধিকাংশ ওয়ার্ডেই রাস্তা বেহাল। তার উপরে দু’দিন ধরে জলমগ্ন স্টেশনে যাওয়ার রাস্তা। পানীয় জল পরিষেবাও বিঘ্নিত। আবর্জনা পড়ে রাস্তায়। নাগরিক পরিষেবার এমনই হাল জয়নগর-মজিলপুর পুরসভায়। কাউন্সিলাররা কেউ ঘরবন্দি, কেউ বেপাত্তা। এতে বেজায় ক্ষুব্ধ নাগরিকরা। যদিও কোনো হুঁশ নেই পুরসভার। চেয়ারম্যান সুকুমার হালদার বলেন, কিছু ওয়ার্ডে রাস্তার সমস্যা আছে ঠিকই। মেরামতির কাজ আটকে আছে। আমরা করার চেষ্টা চালাচ্ছি। পাশাপাশি খাল বুজে যাওয়ায় জলমগ্ন হচ্ছে ওয়ার্ড। এই ব্যাপারেও কথা হয়েছে।
জয়নগর-মজিলপুর পুরসভায় ১৪টি ওয়ার্ড। তার মধ্যে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বেলে রোড ও ৩ এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝ দিয়ে চলে যাওয়া হরিদাস দত্ত রোডের অবস্থা শোচনীয়। এছাড়া পশ্চিমপাড়া রোড, কালীধন ভট্টাচার্য রোড, সুধীর দত্ত রোড, ২ নম্বর ওয়ার্ডের দত্তপাড়া রোড, পালপাড়া, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের হাসানপুর রোড, ১০ নম্বর ওয়ার্ডের মিত্রপাড়া, ১১ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তরপাড়া, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ঘোষপাড়া যাওয়ার রাস্তা অতি বেহাল। খানাখন্দে ভরা রাস্তা জল জমে মরণফাঁদে পরিণত। এই রাস্তা দিয়ে যেতে স্কুল পড়ুয়াদেরও রোজ অসুবিধার মধ্যে পড়তে হচ্ছে। অভিযোগ, এইসব রাস্তায় প্রায় দুর্ঘটনা ঘটছে। সন্ধ্যার পরে যাতায়াত করাই দুষ্কর হয়ে উঠেছে।
পাশাপাশি, জয়নগর-মজিলপুর স্টেশনে যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি টানা দু’দিন ধরে জলমগ্ন। মানুষের যাতায়াতে নাভিশ্বাস উঠছে। তাড়াহুড়ো করে ট্রেন ধরতে গিয়ে অনেকে পড়েও যাচ্ছেন। অন্য ওয়ার্ডগুলিতেও অল্প জল জমে আছে এখনও। এছাড়া পুরসভার ৪, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে মজিলপুরের দিকে প্রায় সময়েই পানীয় জল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, জল রিজার্ভারে ভর্তি হচ্ছে না। আর আবর্জনাও রোজ বাড়ি থেকে নেওয়া হচ্ছে না। কিছু কাউন্সিলারের দেখাই পাওয়া যাচ্ছে না। যাচ্ছেতাই হাল পরিষেবার। নিজস্ব চিত্র