Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পরিচারককে এলোপাথাড়ি পাঁচ কোপ, গায়েব মোবাইল ফোন

পরিচারককে এলোপাথাড়ি পাঁচ কোপ, গায়েব মোবাইল ফোন
  • ৩১ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: একের পর এক কোপ। রক্তে ভেসে গিয়েছে গোটা মেঝে। বাড়ির পরিচারককে এমন নৃশংসভাবে খুনের ঘটনায় ব্যক্তিগত আক্রোশের চিহ্ন স্পষ্ট ছিল। অবিনাশ বাউরির মৃতদেহের ময়নাতদন্ত সেই তত্ত্বেই কার্যত সিলমোহর দিল। রবিবার দুপুরে এসএসকেএম হাসপাতালে ময়নাতদন্ত হয়। লালবাজার সূত্রে খবর, মৃতের শরীরে ছুরির পাঁচটি কোপের চিহ্ন রয়েছে। মুখ, গলা, বুক, বাঁ হাতে সেই ক্ষতচিহ্ন মিলেছে। এই ক্ষতের জেরে অতিরিক্ত রক্তপাতেই মৃত্যু হয়েছে অবিনাশের। শুধু তাই নয়, ঘটনাস্থল থেকে গায়েব হয়েছে পরিচারকের মোবাইল ফোন। প্রাথমিকভাবে পুলিসের অনুমান, আততায়ী তাঁর মোবাইল হাতিয়ে চম্পট দিয়েছে। তবে ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি চারু মার্কেট থানার পুলিস। 

Advertisement

লালবাজার সূত্রের দাবি, ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের দাবি, অবিনাশের মৃত্যু হয়েছে শনিবার দুপুরে। তার আগেই তিনি দুপুরের খাওয়া-দাওয়া করেছিলেন। মৃতদেহের পেট থেকে মিলেছে প্রায় ৩০০ গ্রাম হজম না হওয়া খাবার। এ থেকেই চিকিৎসকের অনুমান, দুপুরের খাবার খাওয়ার এক থেকে দেড় ঘণ্টার মধ্যেই এই ঘটনা ঘটেছে। হোমিসাইড শাখা সূত্রে জানা গিয়েছে, যে নৃশংসতার সঙ্গে অবিনাশকে কোপানো হয়েছে, তাতে মনে করা হচ্ছে শত্রুতা দীর্ঘদিনের। এলোপাথাড়ি সামনে থেকে কোপানো হয়েছে পরিচারককে।
কিন্তু, নেপথ্যে মোটিভ কী? একইসঙ্গে সেই মোটিভ কার? এই দু’টিই এখন গোয়েন্দাদের ওয়ার রুমে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে শনিবার দুপুর থেকে আবাসনের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করেছে চারু মার্কেট থানার পুলিস। সেগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই সকাল থেকে বিকেলের মধ্যে আবাসনে কে কে ঢুকেছেন ও বেরিয়ে গিয়েছেন, তার তালিকাও তৈরি করছে পুলিস। একইসঙ্গে, অবিনাশের খোয়া যাওয়া মোবাইল ফোনের সন্ধান করছেন তদন্তকারীরা। সেটির টাওয়ার লোকেশনের হদিশ করা হচ্ছে। সেই সূত্র ধরে আততায়ীর সন্ধান পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়া ঘর থেকে আর কিছু চুরি যায়নি। সে কারণেই খুনের নেপথ্যে স্পষ্ট হচ্ছে ব্যক্তিগত শত্রুতার কারণ।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ