নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে সেমেস্টার পদ্ধতিতে ছাত্রছাত্রীদের বিশেষ উপকার হচ্ছে না। এমনকি, এমসিকিউ পদ্ধতির সুফল নিয়েও তিনি সন্দিহান। বৃহস্পতিবার বিকাশ ভবনে ২১টি জেলার প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান, প্রাথমিক ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এবং উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এমনই মন্তব্য করেছেন স্কুলশিক্ষা মন্ত্রী দীপক বর্মন। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা করা হবে। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার দায়িত্ব নিয়ে সেমেস্টার পদ্ধতির ত্রুটি সংশোধনের বার্তা দিয়েছিলেন উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নয়া সভাপতি অসিতকুমার মণ্ডল। অর্থাৎ, আগামী দিনে সেমেস্টার পদ্ধতিতে যে বদল আনতে চায় সরকার, তার আভাস বেশ স্পষ্ট।
দীপকবাবু এদিন জানিয়েছেন, বেসরকারি স্কুলে সমস্যা হলেও জেলা বিদ্যালয় সংসদ বা ডিআইরা তাতে হস্তক্ষেপ করবেন। বেসরকারি ক্ষেত্রে এটিও গুরুতবপূর্ণ বার্তা বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। এদিন বৈঠকে উপস্থিত উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ও নতুন শিক্ষাকর্তাদের শিক্ষাক্ষেত্রের ঘুঘুর বাসা ভাঙার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, এটা করতে গেলে আগে বাধা আসবে দপ্তরের কর্মিমহল থেকেই। আগের সরকারে থেকে এ ধরনের কর্মীদের একাংশই দুর্নীতিতে জড়িত ছিলেন বলে তাঁর মত।
অন্যদিকে, স্কুলস্তরে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়াও ধাপে ধাপে এগোচ্ছে। এদিন শিক্ষাকর্মী নিয়োগের অঞ্চলভিত্তিক শূন্যপদের তালিকা প্রকাশ করেছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। পাশাপাশি, উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষক নিয়োগের জন্য তৃতীয় ধাপের ইন্টারভিউ সূচিও এদিন প্রকাশ করেছেন তারা। ৬ এবং ৭ নভেম্বর বায়োলজিক্যাল সায়েন্স, এনভায়রনমেন্টাল স্টাডিজ, কমার্স এবং কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশনের ইন্টারভিউগুলি হবে।



