নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: থরে থরে প্যাকেটে সাজানো লাল ও সবুজ আপেল, গুলাব জামুন, লাড্ডু। প্রশ্ন জাগতেই পারে, এভাবে প্যাকেটে করে ফল বিক্রি হচ্ছে কেন? ফ্রিজ ছাড়া ফল ও মিষ্টি থাকছেই বা কীভাবে? মনে রহস্য তৈরি হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে ভাবনার সঙ্গে বাস্তবের মিল নেই। রহস্য উন্মোচন করে দোকানদার বললেন, দেখতে অবিকল মিষ্টি, ফলের মতো, কিন্তু আখেরে এগুলি এক ধরনের মোমবাতি। এবার দীপাবলিতে ক্রেতাদের নজর কেড়েছে এই মোমবাতি। চম্পাহাটির হাড়ালে এমন মোমবাতির বিক্রি বেশ ভালোই। অনেকেই চিরাচরিত সাদা মোমবাতি ছেড়ে এই ধরনের বাহারি মোমের দিকে হাত বাড়িয়েছেন। একটা সময় ছিল যখন কালীপুজো ও দীপাবলির রাতে ঘর, বারান্দা থেকে দালান, সাদা মোমবাতির আলোয় সেজে উঠত। তারপর ধীরে ধীরে লাল, নীল, সবুজ রঙের মোমবাতিতে ছেয়ে যায় বাজার। মিলতে শুরু করে কাপ মোমবাতি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিবর্তন এসেছে মোমবাতির চেহারায়। এই বিবর্তনে নতুন সংযোগ আপেল, লাড্ডু ইত্যাদি। বাজি বাজারের বিক্রেতারা বলছেন, নতুন আতশবাজির মত মানুষ এখন মোমবাতির মধ্যেও আধুনিকতার খোঁজ করছেন। এই নতুন ধরনের মোম দেখে তাঁরা আর তর সইতে পারছেন না। একটি বাক্সে পাঁচ থেকে ছ’টি করে মোমবাতি থাকছে। প্যাকেট পিছু দাম প্রায় আড়াইশো টাকা। যেভাবে বিক্রেতারা এসব দোকানে সাজিয়ে রাখছেন, তাতে দূর থেকে আসল ফল বা মিষ্টি বলেই মনে করছেন অনেকে। তাই বাজিবাজারে এসে এই মোমবাতি দেখে আর না কিনে থাকতে পারছেন না অনেকেই। খুশি ব্যবসায়ীরা। নিজস্ব চিত্র



