সংবাদদাতা, শীতলকুচি: রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর জনরোষের নাম করে শুরু হয়েছিল‘ডিম-থেরাপি’। এক্ষেত্রে জনগণের নিশানায় সবসময়ই থাকছেন তৃণমূল সহ বিরোধী দলের নেতা-কর্মীরা। এবার কোচবিহারের শীতলকুচিতে দলীয় কর্মীদের ডিম থেরাপির শিকার হতে হল বিজেপি নেতৃত্বকেই। সোমবার শীতলকুচি ব্লকের ছোটো শালবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের সামনে বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল ঘিরে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। পঞ্চায়েত অফিস সংলগ্ন দলীয় কার্যালয়ে নেতাদের আটকে রেখে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন পদ্মপার্টির দুই গোষ্ঠীর কর্মী-সমর্থকরা। ঘটনায় জখম হন সংগঠনের ৫নম্বর মণ্ডলের কিষান মোর্চার সহসভাপতি শংকর বর্মন ও মহিলা মোর্চার কোচবিহার জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদিকা বিউটি বর্মন। পরিস্থিতি এতটাই বেগতিক হয়েছিল যে, পুলিশ ভ্যানে করে এলাকা ছাড়তে হয় বিজেপির মণ্ডল সভাপতি পবিত্র অধিকারীকে। পরে শীতলকুচি থানার বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন বিজেপির ৫নম্বর মণ্ডল সভাপতি পবিত্র অধিকারী, সাধারণ সম্পাদক প্রসেনজিৎ সরকার, মহিলা মোর্চার কোচবিহার জেলা সাধারণ সম্পাদিকা বিউটি বর্মন সহ বেশ কয়েকজন বিজেপি নেতা দলীয় কার্যালয়ে আসেন। রাজ্যে পালাবদলের পর পঞ্চায়েত অফিসে আসছেন না তৃণমূল প্রধান ও পঞ্চায়েত সদস্যরা। এদিন তাঁদের আসার কথা শুনতে পেয়ে দলীয় অফিসের সামনে জমায়েত হতে শুরু করেন বিজেপি কর্মীরা। দলের কর্মী গৌরাঙ্গ বিশ্বাসের অভিযোগ, তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানের কাছ থেকে কাটমানি নিয়েছেন আমাদের দলের নেতারা। এদিন তাই তাঁদের উপস্থিতিতে প্রধানকে অফিসে ঢোকানোর কথা ছিল। সাধারণ মানুষ তৃণমূল প্রধানকে চাইছে না। ক্ষুব্ধ কর্মীরা তাই দলের নেতাদের লক্ষ্য করে ডিম ছুড়েছেন।



