


তেহরান, ১৪ এপ্রিল: আমেরিকা ও ইরানের দ্বিতীয় দফার বৈঠকের সম্ভাবনা। এবারও ফের পাকিস্তানের মাটিতেই। বিষয়টি নিয়ে ইসলামাবাদেও জোর তৎপরতা শুরু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ওয়াশিংটন-তেহরানের দ্বিতীয় দফার এই বৈঠকের প্রস্তুতিও না কী চূড়ান্ত পর্যায়ে। আগামী দুই দিনের মধ্যেই তাদের মধ্যে আলোচনা হতে পারে। প্রথম দফায় পাকিস্তানের মাটিতে জেডি ভান্স ও আব্বাস আরাঘচির ২১ ঘণ্টার বৈঠক হয়। কিন্তু তারপরও কোনও রফাসূত্র মেলেনি। সংঘর্ষবিরতি, হরমুজ প্রণালী ইস্যু ছাড়াও আলোচনায় উঠে আসে ইরানে কাছে থাকা ইউরেনিয়ামের ভাণ্ডারের কথাও। ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করে, ইরানে মজুত থাকা ইউরেনিয়াম আগামী ২০ বছর কোনওভাবেই ব্যবহার করা যাবে না। সঙ্গে ছিল আরও কিছু শর্ত। তেহরান এই প্রস্তাব পত্রপাঠ খারিজ করে দেয়। সময়সীমাও কমাতে বলে। জানায়, আগামী ৫ বছরের জন্য ইউরেনিয়াম সংক্রান্ত কর্মসূচি স্থগিত করা যেতে পারে। কিন্তু তাতে বরফ গলেনি। ইরানের সেই প্রস্তাবে মোটেই রাজি হয়নি আমেরিকাও। এরপরই দ্বিতীয় দফার বৈঠকের জন্য নিরপেক্ষ স্থান হিসেবে জেনেভা বা পাকিস্তানের কোনও শহরকে বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মার্কিন মুলুক এবং ইরানের শান্তি সমঝোতায় অগ্রণী ভূমিকা নিতে ফের এগিয়ে আসে পাকিস্তান। বিশ্ব দরবারে নিজেদের ভাবমূর্তি কিছুটা উজ্বল করতেই পাক সরকারের এই উদ্যোগ বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির অবসানের আশায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দামও কিছুটা কমেছে। চাঙ্গা হয়েছে ওয়াল স্ট্রিটের শেয়ার বাজারও।