বিশ্বভারতীর অধ্যাপদের তৈরি চারটি যন্ত্রের নকশায় সিলমোহর
  • ৬ নভেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বোলপুর: গবেষণা ও নতুন প্রযুক্তি তৈরিতে ফের সাফল্য পেল বিশ্বভারতী। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের অধ্যাপকদের তৈরি চারটি যন্ত্রের নকশা নথিভুক্ত করল ভারত সরকারের পেটেন্ট মন্ত্রক। পরিবেশ, মাছ চাষ ও খেলাধুলা এই তিন ক্ষেত্রে যন্ত্রগুলি তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কার্বন ক্রেডিটের হিসাব করার যন্ত্র, মাছের প্রজননের বিশেষ ট্যাঙ্ক ও মাছকে খাবার দেওয়ার ভাসমান যন্ত্র এবং টেবিল টেনিস খেলার বল সরবরাহের মেশিন। বৃহস্পতিবার বিশ্বভারতী সূত্রে এই খবর জানা গিয়েছে। এনিয়ে বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত জন সংযোগ আধিকারিক অতিগ ঘোষ বলেন, অধ্যাপকদের এই কৃতিত্বে বিশ্বভারতী গর্বিত। ভবিষ্যতে তাঁরা আরও সাফল্য অর্জন করুন, সেই কামনা করি। তাঁদের জন্য রইল শুভেচ্ছা। বিশ্বভারতী সূত্রে জানা গিয়েছে, পল্লীশিক্ষা ভবনের কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ গোস্বামীর তৈরি দু’টি যন্ত্রের নকশা স্বীকৃতি পেয়েছে। প্রথমটি 'ব্রিডিং ট্যাংক'। মাছের প্রজনন ও পোনা তৈরির কাজে এই ট্যাংক ব্যবহার করা যেতে পারে। দ্বিতীয়টি 'ফ্লোটিং ফিশ ফিডিং ডিভাইস'। জলের উপর ভাসমান অবস্থায় মাছকে খাবার দেওয়ার জন্য এই যন্ত্র তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, বিশ্বভারতীর আরও দুই অধ্যাপক ড. তরুণ বিশ্বাস ও ড. শুভ্রাংশু সাঁতরার তৈরি 'কার্বন ক্রেডিট ইভ্যালুয়েশন ডিভাইস'-এর নকশাও নথিভুক্ত হয়েছে। কার্বন ক্রেডিটের হিসাব ও মূল্য নির্ধারণের কাজে এই যন্ত্র ব্যবহার করা যেতে পারে। পরিবেশবান্ধব কাজের ফলে বাতাসে কার্বন নিঃসরণ কতটা কমছে, তার হিসাব রাখার ক্ষেত্রে এই যন্ত্র সহায়ক হতে পারে। খেলাধুলার ক্ষেত্রেও নতুন যন্ত্র তৈরি করেছেন বিশ্বভারতীর অধ্যাপকরা। ড. অভিজিৎ থান্ডার, ড. ফিরদৌস তাবাসসুম, কুন্দন দাস এবং আজাহারউদ্দিন খান যৌথভাবে তৈরি করেছেন 'টেবিল টেনিস বল ফিডার মেশিন'। এই মেশিন থেকে খেলোয়াড়ের দিকে পরপর বল পাঠানো যাবে। ফলে কোচ বা অন্য কারও সাহায্য ছাড়াই একা অনুশীলন করতে পারবেন খেলোয়াড়রা। ভারত সরকারের পেটেন্ট মন্ত্রক এই চারটি যন্ত্রের নকশা নথিভুক্ত করেছে। এর ফলে নকশাগুলি আইনি স্বীকৃতি ও সুরক্ষা পেল।

Advertisement