নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: পুরনো ফ্যান বিক্রির জন্য পরিচিত এক ফেরিওয়ালাকে বাড়িতে ডেকেছিল যুবক। ওই ফেরিওয়ালার পকেটে ছিল টাকার বান্ডিল। সেই টাকার লোভেই শেষমেশ ফেরিওয়ালাকে পিটিয়ে খুন করে ছাদের চিলেকোঠায় দেহটি ফেলে রেখেছিল যুবক। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের ভিত্তিতে রবিবার রাতে খড়দহ থানার পুলিস অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম আক্রম আলি (৫০)। বাড়ি কামারহাটির কুমোরপাড়ায়। ধৃতের নাম চিরাগ গুহ। তার মা পলাতক। তাঁর খোঁজে তল্লাশি চলছে।
Advertisement
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চিরাগের বাড়ি পানিহাটি পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের রাজা লেনের কলুপাড়ায়। পুরনো জীর্ণ বাড়িতে মা পুতুলদেবীর সঙ্গেই থাকত চিরাগ। পাশেই একটি ভগ্নপ্রায় দোতলা বাড়ির একতলায় জেঠু বিপ্লব গুহ ছেলে সৌরভকে নিয়ে থাকতেন। এখন তাঁরা কর্মসূত্রে প্রায়ই অন্যত্র থাকেন। মাঝেমধ্যে আসেন এই বাড়িতে। রবিবার রাতে তাঁরা বাড়ি ফিরে দেখেন, ঘরের ফ্যান, রান্নার স্টোভ, নগদ টাকা যেটুকু ছিল, সব উধাও। বিপ্লববাবু পাড়ার ছেলেদের বিষয়টি জানান। ওই এলাকায় বিভিন্ন বাড়িতে ঢুকে চুরির বদনাম রয়েছে চিরাগের। স্থানীয়রা এব্যাপারে চিরাগের সঙ্গে কথা বলতে এলে সে তাঁদের ঘরে ঢুকতে বাধা দেয়। পাড়ার ছেলেরা জোর করেই সীমানা প্রাচীর টপকে দোতলায় উঠে যান। সেই সময় চিরাগ সিঁড়ি আটকে দাঁড়ায়। তাতে সকলের সন্দেহ বাড়ে। তাছাড়া ছাদ থেকে পচা দুর্গন্ধ আসছিল। পাড়ার লোকজন তাকে জোর করে সরিয়ে ছাদে উঠে দরজা ভেঙে দেখেন, সেখানে ফেরিওয়ালার পচাগলা দেহ পড়ে রয়েছে। এরপর খড়দহ থানার পুলিস এসে মৃতদেহ উদ্ধারের পাশাপাশি চিরাগকে গ্রেপ্তার করে। প্রসঙ্গত, শনিবার বিকেল থেকেই চিরাগের মাকে এলাকায় দেখতে পায়নি প্রতিবেশীরা।
জেরায় পুলিস জেনেছে, শনিবার দুপুরে আক্রম আলিকে চুরি করা ফ্যান বিক্রির জন্য ডেকেছিল চিরাগ। আক্রমকে আগে থেকেই চিনত সে। দরাদরির সময় আক্রমের পকেটে টাকার বান্ডিল দেখতে পায় সে। ওই টাকা হাতানোর জন্যই ফেরিওয়ালার মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে চিরাগ। তারপর গলায় ও মুখে দড়ি পেঁচিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে। সেই সময় আক্রমের গোঙানি শুনে স্থানীয়রা ছুটে এলে পুতুলদেবী গেট আগলে জানিয়েছিলেন, ছেলেকে কুকুর কামড়েছে।
প্রতিবেশী কৌশিক দাস ও প্রসেনজিৎ দাস বলেন, আশপাশের বাড়ি থেকে চিরাগ চাল, ডাল, মোবাইল চুরির পাশাপাশি মায়ের অসুস্থতার কথা বলে লোকের থেকে টাকা নিত। ইদানীং টাকা পাচ্ছিল না। তাই শনিবার দুপুরে ফেরিওয়ালাকে খুন করে টাকার বান্ডিল হাতিয়েছে সে। এই ঘটনা কেউ টের পায়নি। চিরাগ সবাইকে বলেছিল, শনিবার রাত থেকে মাকে খুঁজে পাচ্ছে না। যদিও পুলিসকে ধৃত বলেছে, ফেরিওয়ালা মাকে কুৎসিত প্রস্তাব দিয়েছিল, তাই ক্রোধের বশেই সে তাঁকে খুন করেছে।
জেরায় পুলিস জেনেছে, শনিবার দুপুরে আক্রম আলিকে চুরি করা ফ্যান বিক্রির জন্য ডেকেছিল চিরাগ। আক্রমকে আগে থেকেই চিনত সে। দরাদরির সময় আক্রমের পকেটে টাকার বান্ডিল দেখতে পায় সে। ওই টাকা হাতানোর জন্যই ফেরিওয়ালার মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে চিরাগ। তারপর গলায় ও মুখে দড়ি পেঁচিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে। সেই সময় আক্রমের গোঙানি শুনে স্থানীয়রা ছুটে এলে পুতুলদেবী গেট আগলে জানিয়েছিলেন, ছেলেকে কুকুর কামড়েছে।
প্রতিবেশী কৌশিক দাস ও প্রসেনজিৎ দাস বলেন, আশপাশের বাড়ি থেকে চিরাগ চাল, ডাল, মোবাইল চুরির পাশাপাশি মায়ের অসুস্থতার কথা বলে লোকের থেকে টাকা নিত। ইদানীং টাকা পাচ্ছিল না। তাই শনিবার দুপুরে ফেরিওয়ালাকে খুন করে টাকার বান্ডিল হাতিয়েছে সে। এই ঘটনা কেউ টের পায়নি। চিরাগ সবাইকে বলেছিল, শনিবার রাত থেকে মাকে খুঁজে পাচ্ছে না। যদিও পুলিসকে ধৃত বলেছে, ফেরিওয়ালা মাকে কুৎসিত প্রস্তাব দিয়েছিল, তাই ক্রোধের বশেই সে তাঁকে খুন করেছে।



