সিডনি: বর্ডার-গাভাসকর ট্রফির পিচ নিয়ে রায় দিল আইসিসি। পারথ, অ্যাডিলেড, গাব্বা, মেলবোর্ন— প্রথম চার ম্যাচের উইকেটকে ‘খুব ভালো’ তকমা দেওয়া হয়েছে। তবে সবচেয়ে আশ্চর্যজনক হল, সিডনির পিচকে ‘সন্তোষজনক’ সার্টিফিকেট প্রদান। সেখানে আড়াই দিনেই শেষ হয়ে গিয়েছিল ম্যাচ। এসসিজি’তে প্রথম দিনে ১১টি, দ্বিতীয় দিনে ১৫টি এবং তৃতীয় দিনে ৮টি উইকেট পড়ে। ভারতের কোনও স্টেডিয়ামে এমনটা ঘটলে বিতর্কের ঝড় বয়ে যেত। ডিমেরিট পয়েন্ট জুড়ে দেওয়া হতো সংশ্লিষ্ট ভেন্যুর নামের পাশে। এমনকী সতর্কতাও জারি হতো, ভবিষ্যতে এমন ঘটলে কালো তালিকাভুক্ত করার। কিন্তু আয়োজক দেশ যেহেতু অস্ট্রেলিয়া, তাই সাত খুন মাফ!
Advertisement
সিডনির পিচ সাধারণত ব্যাটিং সহায়ক হয়ে থাকে। শেষদিকে স্পিনারদের জন্য থাকে সুবিধা। কিন্তু এবার পেস বোলিং সহায়ক উইকেট বানিয়েছিলেন কিউরেটর। আর সেটাও এতটাই খারাপ যে, প্রথম বল থেকেই সমস্যায় পড়েছেন ব্যাটাররা। কোনও বল আচমকা লাফিয়েছে, তো কোনওটা হঠাৎ নীচু। পুরনো বলেও মিশে ছিল বিষাক্ত সুইং। ফলে কোনও দলই দুশোর গণ্ডি টপকাতে পারেনি। উইকেট দেখে সুনীল গাভাসকর বলেছিলেন, ‘সিডনির এই পিচ মোটেই উপযুক্ত নয়। টেস্টের উইকেট পাঁচ দিনের কথা ভেবেই বানানো উচিত।’ শুধু গাভাসকর একা নন, অস্ট্রেলিয়ার উসমান খাওয়াজা, স্টিভ স্মিথও সিডনির উইকেটের সমালোচনা করেন। খাওয়াজা বলেন, ‘এই পিচে ব্যাট করতে নেমে পা কাঁপছিল।’



