পরামর্শে মেডিকা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের গ্যাস্ট্রোএনটেরোলজি বিভাগের ডিরেক্টর ডাঃ প্রদীপ্তকুমার শেঠি ও ইউরোলজিস্ট ডাঃ অভয় কুমার।
Advertisement
আমাদের অনেকেরই মাঝেমধ্যেই পেট ব্যথা হয়। অনেকে গ্যাস অম্বলের ওষুধও খান। তবে কিছু কিছু ব্যথা থাকে যা সহজে কমতে চায় না। এমন ক্ষেত্রে কতকগুলি বিষয় মাথায় রাখুন।
• গ্যাস-অম্বলের ওষুধ খেয়ে ঘণ্টাখানেক পরেও ব্যথা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
• গোটা একটা দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরেও পেটে ব্যথা থেকে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতেই হবে।
কী কী কারণে প্রবল ব্যথা হতে পারে ও চিকিত্সকের পরামর্শের প্রয়োজন হতে পারে?
১. তলপেটের অন্দরের দেওয়ালের গাত্র বা পেরিটোনিয়ামে সংক্রমণ হলে প্রবল ব্যথা হতে পারে। এই ধরনের সমস্যায় সার্জারির প্রয়োজন হয়।
২. পেটের ডানদিকে ওপরের অংশে ব্যথা সাধারণত গলব্লাডার স্টোনের সমস্যার ইঙ্গিত দেয়। এছাড়া লিভারে সংক্রমণ হলেও পেটব্যথাও শুরু হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
৩. পেটের ডানদিকে নীচের অংশে ব্যথা হওয়ার প্রধান কারণ হল অ্যাপেন্ডিসাইটিস। এক্ষেত্রে অপারেশন ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই।
৪. পেটের বামদিকে নীচের অংশে ব্যথা কোষ্ঠকাঠিন্য, বাওয়েল স্পাজম এবং ডাইভার্টিকুলাইটিস-এর কারণে হতে পারে।
৫. ডানদিক ও বামদিকের পেটের নীচে ব্যথা হলে ও তার পিছনে কোনও নির্দিষ্ট কারণ খুঁজে না পাওয়া গেলে অবশ্যই একবার কোলনোস্কোপি করে বাওয়েল-এর পরীক্ষা করে নেওয়া উচিত। কারণ এই দু’টি জায়গায় ব্যথা কিন্তু বাওয়েল ক্যান্সারের উপসর্গও হতে পারে।
৬. চল্লিশোর্ধ্ব ব্যক্তির হঠাৎ করে পেটের মাঝখানে ব্যথা শুরু হলে অবশ্যই চিকিত্সকের পরামর্শ নিন। কারণ অনেক ক্ষেত্রেই এই বয়সের পর ইসোফেগাস এবং পাকস্থলীর ক্যান্সারের ব্যথা শুরু হয়।
আরও কিছু ব্যথা
অন্ত্রের নানা অংশে ফুটো হলে, সেখান থেকেও পেট ব্যথা হতে পারে। অন্ত্রে এমন ফুটো হতে পারে কোলন, ক্ষুদ্রান্ত্রে। এই পরিস্থিতেতে সার্জারির প্রয়োজন হয়। এমনকী অ্যাকিউট প্যাংক্রিয়াটাইটিস হলেও হতে পারে পেটে প্রবল ব্যথা। এক্ষেত্রেও রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি রাখতে পারে।
কিডনি স্টোনের ব্যথা
কিডনি স্টোন কী?
কিডনির ভিতরে তরল পরিশ্রুত হওয়ার সময়, তরলে থাকা নানা খনিজ কিডনির ভিতরে থিতিয়ে পড়ে। সেগুলিই একসময় শক্ত পাথরের রূপ নেয়। পুরুষ ও মহিলা উভয়েই কিডনি স্টোনের সমস্যায় ভুগতে পারেন।
কখন বিপদ
কিডনি স্টোনের ব্যথা হঠাত্ শুরু হতে পারে। শুধুমাত্র যে অসহ্য তাই নয়, উপরন্তু রোগীর কয়েকদিন অন্তর মাঝেমধ্যেই এতই ব্যথা হয় যে জীবনযাপনও দুঃসহ হয়ে ওঠে। পিঠ ও পিছনেদিকে ব্যথা হয়। প্রস্রাবের সঙ্গে রক্তপাত হতে পারে। জ্বর ও কাঁপুনি হতে পারে। কিছু কিছু রোগীর বমি বমি ভাবের উপসর্গও থাকতে পারে।
রোগনির্ণয়
আলট্রাসাউন্ড কেইউবি, এক্স রে, কেইউবি, সিটি কেইউবি ইত্যাদি পরীক্ষায় কিডনি স্টোন সম্পর্কে জানা যায়।
মনে রাখবেন
কিডনি স্টোন হওয়ার পিছনে কম জল পান করা, অসংযমী খাদ্যাভ্যাস এবং কিছু ক্ষেত্রে মেটাবলিক ডিজঅর্ডার দায়ী থাকে। বংশে কিডনি স্টোন হওয়ার ইতিহাস থাকলেও এই অসুখ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
চিকিৎসা
ওষুধ বা সার্জারির মাধ্যমে চিকিত্সা হয়। ৫ মিলিমিটারের কম আকারের স্টোন হলে সাধারণত রোগীকে বেশিমাত্রায় জল পান করতে বলা হয়। আর কিছু ওষুধ দেওয়া হয়। তাতে স্টোন বেরিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে তারপরেও স্টোন না বেরলে তখন সার্জারির কথা ভাবা হয়।
• গ্যাস-অম্বলের ওষুধ খেয়ে ঘণ্টাখানেক পরেও ব্যথা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
• গোটা একটা দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরেও পেটে ব্যথা থেকে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতেই হবে।
কী কী কারণে প্রবল ব্যথা হতে পারে ও চিকিত্সকের পরামর্শের প্রয়োজন হতে পারে?
১. তলপেটের অন্দরের দেওয়ালের গাত্র বা পেরিটোনিয়ামে সংক্রমণ হলে প্রবল ব্যথা হতে পারে। এই ধরনের সমস্যায় সার্জারির প্রয়োজন হয়।
২. পেটের ডানদিকে ওপরের অংশে ব্যথা সাধারণত গলব্লাডার স্টোনের সমস্যার ইঙ্গিত দেয়। এছাড়া লিভারে সংক্রমণ হলেও পেটব্যথাও শুরু হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
৩. পেটের ডানদিকে নীচের অংশে ব্যথা হওয়ার প্রধান কারণ হল অ্যাপেন্ডিসাইটিস। এক্ষেত্রে অপারেশন ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই।
৪. পেটের বামদিকে নীচের অংশে ব্যথা কোষ্ঠকাঠিন্য, বাওয়েল স্পাজম এবং ডাইভার্টিকুলাইটিস-এর কারণে হতে পারে।
৫. ডানদিক ও বামদিকের পেটের নীচে ব্যথা হলে ও তার পিছনে কোনও নির্দিষ্ট কারণ খুঁজে না পাওয়া গেলে অবশ্যই একবার কোলনোস্কোপি করে বাওয়েল-এর পরীক্ষা করে নেওয়া উচিত। কারণ এই দু’টি জায়গায় ব্যথা কিন্তু বাওয়েল ক্যান্সারের উপসর্গও হতে পারে।
৬. চল্লিশোর্ধ্ব ব্যক্তির হঠাৎ করে পেটের মাঝখানে ব্যথা শুরু হলে অবশ্যই চিকিত্সকের পরামর্শ নিন। কারণ অনেক ক্ষেত্রেই এই বয়সের পর ইসোফেগাস এবং পাকস্থলীর ক্যান্সারের ব্যথা শুরু হয়।
আরও কিছু ব্যথা
অন্ত্রের নানা অংশে ফুটো হলে, সেখান থেকেও পেট ব্যথা হতে পারে। অন্ত্রে এমন ফুটো হতে পারে কোলন, ক্ষুদ্রান্ত্রে। এই পরিস্থিতেতে সার্জারির প্রয়োজন হয়। এমনকী অ্যাকিউট প্যাংক্রিয়াটাইটিস হলেও হতে পারে পেটে প্রবল ব্যথা। এক্ষেত্রেও রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি রাখতে পারে।
কিডনি স্টোনের ব্যথা
কিডনি স্টোন কী?
কিডনির ভিতরে তরল পরিশ্রুত হওয়ার সময়, তরলে থাকা নানা খনিজ কিডনির ভিতরে থিতিয়ে পড়ে। সেগুলিই একসময় শক্ত পাথরের রূপ নেয়। পুরুষ ও মহিলা উভয়েই কিডনি স্টোনের সমস্যায় ভুগতে পারেন।
কখন বিপদ
কিডনি স্টোনের ব্যথা হঠাত্ শুরু হতে পারে। শুধুমাত্র যে অসহ্য তাই নয়, উপরন্তু রোগীর কয়েকদিন অন্তর মাঝেমধ্যেই এতই ব্যথা হয় যে জীবনযাপনও দুঃসহ হয়ে ওঠে। পিঠ ও পিছনেদিকে ব্যথা হয়। প্রস্রাবের সঙ্গে রক্তপাত হতে পারে। জ্বর ও কাঁপুনি হতে পারে। কিছু কিছু রোগীর বমি বমি ভাবের উপসর্গও থাকতে পারে।
রোগনির্ণয়
আলট্রাসাউন্ড কেইউবি, এক্স রে, কেইউবি, সিটি কেইউবি ইত্যাদি পরীক্ষায় কিডনি স্টোন সম্পর্কে জানা যায়।
মনে রাখবেন
কিডনি স্টোন হওয়ার পিছনে কম জল পান করা, অসংযমী খাদ্যাভ্যাস এবং কিছু ক্ষেত্রে মেটাবলিক ডিজঅর্ডার দায়ী থাকে। বংশে কিডনি স্টোন হওয়ার ইতিহাস থাকলেও এই অসুখ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
চিকিৎসা
ওষুধ বা সার্জারির মাধ্যমে চিকিত্সা হয়। ৫ মিলিমিটারের কম আকারের স্টোন হলে সাধারণত রোগীকে বেশিমাত্রায় জল পান করতে বলা হয়। আর কিছু ওষুধ দেওয়া হয়। তাতে স্টোন বেরিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে তারপরেও স্টোন না বেরলে তখন সার্জারির কথা ভাবা হয়।



