Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬

চারদিকে মহাসাগর, ভিনগ্রহে এবার প্রাণের হদিশ নিয়ে আশার আলো দেখছেন বিজ্ঞানীরা

পৃথিবী থেকে ১২০ আলোকবর্ষ দূরে কে২-১৮বি নামে গ্রহ। বর্তমানে মহাকাশ বিজ্ঞানীদের উৎসাহের কেন্দ্রবিন্দু সৌরজগতের বাইরের এই গ্রহ। সেখানে প্রাণের অস্তিত্ব নিয়ে আশার আলো দেখছেন তাঁরা।

চারদিকে মহাসাগর, ভিনগ্রহে এবার প্রাণের হদিশ নিয়ে আশার আলো দেখছেন বিজ্ঞানীরা
  • ১৮ এপ্রিল, ২০২৫ ১৬:০৪
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: পৃথিবী থেকে ১২০ আলোকবর্ষ দূরে কে২-১৮বি নামে গ্রহ। বর্তমানে মহাকাশ বিজ্ঞানীদের উৎসাহের কেন্দ্রবিন্দু সৌরজগতের বাইরের এই গ্রহ। সেখানে প্রাণের অস্তিত্ব নিয়ে আশার আলো দেখছেন তাঁরা।  কারণ সেখানে মিলেছে ডাইমিথাইল সালফাইড নামক পদার্থ। যা কেবল জীবদেহ থেকেই তৈরি হয়। এই গ্রহে সংক্রান্ত গবেষণার নেতৃত্ব দিচ্ছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ডঃ নিক্কু মধুসূদন। তবে এখনই এবিষয়ে কিছু বলতে রাজি নয় বিশেষজ্ঞ মহল। তাদের ধারণা, গবেষণা অনেক বাকি। 

Advertisement

বারাণসীর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট টেকনলজি থেকে প্রযুক্ততিতে স্নাতক হন ডঃ মধুসূদন। তারপর ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনলজি থেকে গ্রহ সংক্রান্ত বিজ্ঞান নিয়ে মাস্টার্স ও পিএইচডি। বর্তমানে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করছেন মধুসূদন। ‘হাইসিয়ান প্ল্যানেট’। অর্থাৎ, এমন এক গ্রহ যার চারিদিকে রয়েছে মহাসাগর। বায়ুমণ্ডলে রয়েছে হাইড্রোজেনের ভাণ্ডার। এই ধারণা মধুসূদনের মস্তিষ্কপ্রসূত। 
সম্প্রতি জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের দেওয়া তথ্য যাচাই করে মধুসূদনের টিম। সেখানেই জানা গিয়েছে, কে২-১৮বি গ্রহের বায়ুমণ্ডলে প্রচর পরিমাণে ডাইমিথইল সালফাইড রয়েছে। এই পদার্থটি জীবদেহ থেকে তৈরি হয়। মূলত জলজ উদ্ভিদ থেকে। তাহলে কি সত্যিই সেখানে প্রাণের উপস্থিতি মিলবে? এখনই কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে রাজি নন মধুসূদন। তাঁর কথায়, ‘ওই গ্রহে যে প্রাণ রয়েছে এই মুহূর্তে তা দাবি করা ঠিক নয়। তবে এটুকু বলতে পারি যে গ্রহের চারিদিকে মহাসাগর রয়েছে। যার জল গরম। এই প্রথমবার বাসযোগ্য গ্রহে জীবনের উপস্থিতির আভাস পেল মানব সমাজ। বৈপ্লবিক মুহূর্ত!’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ