সংবাদদাতা, বারুইপুর: স্কুলে দু’জন শিক্ষিকা। তার মধ্যে একজন আবার অনিয়মিত। পঠন-পাঠন তলানিতে। কমছে ছাত্রসংখ্যাও। অভিযোগ, দুপুর ১টাতেই স্কুল বন্ধ হয়ে যায়। আর মিড ডে মিলে পড়ুয়াদের ভাগে জোটে বিস্কুট। এমনই চিত্র জয়নগরের হরিনারায়ণপুর পঞ্চায়েতের নন্দনপুর এস এস কে-এর। অভিভাবকরা এই কারণে ছেলেমেয়েদের অন্য স্কুলে ভর্তি করছেন। গ্রামের বাসিন্দারাও ক্ষুব্ধ।
এই প্রসঙ্গে হরিনারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সুজাউদ্দিন শেখ বলেন, স্কুলের ব্যাপারে স্থানীয় অভিভাবকরা লিখিত আকারে কিছু জানাননি। আমি খোঁজ নিয়ে দেখব। প্রধান শিক্ষিকা শোভা কর্মকার বলেন, আমার শারীরিক সমস্যার কারণে নিয়মিত স্কুলে যেতে পারি না। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানিয়েছি। আর মিড ডে মিলের ব্যাপারটি দেখা হবে। হরিনারায়ণপুরের নন্দনপুর গ্রামে এই স্কুলে। খাতায়কলমে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ৪০ জন। কিন্তু আসে ২৫ জন। আগে এই স্কুলে তিনজন শিক্ষিকা ছিলেন। এখন তা ঠেকেছে দুইজনে। চারটি শ্রেণিকক্ষ থাকলেও একটিমাত্র শ্রেণিকক্ষেই হয় পঠন-পাঠন। অভিভাবকরা বলেন, এক শিক্ষিকা নিয়মিত আসেন না। আর এক শিক্ষিকা দুপুর ১২টায় আসেন। ১টায় স্কুল বন্ধ করে চলে যান। যথার্থ মিড ডে মিল সপ্তাহে হয়তো একদিনই হয়। নতুবা রোজই ছাত্র-ছাত্রীদের বিস্কুট দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। স্কুলে পঠন-পাঠন ঠিক হয় না বলে অন্য স্কুলে ছেলেমেয়েদের ভর্তি করতে হচ্ছে। মিড ডে মিলের রাঁধুনি নীলিমা মণ্ডল বলেন, ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা কম। তাই রোজ মিড ডে মিল রান্না করা হয় না। যে ক’জন ছাত্রছাত্রী আসে, তাদের বিস্কুট দেওয়া হয়। নিজস্ব চিত্র