Bartaman Logo
২৪ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

প্রথম দফার ভোট শেষে স্কুল খুললেও পড়ুয়াদের উপস্থিতি কম

প্রথম দফার ভোটপর্ব শেষে স্কুল খুললেও ফাঁকা বেঞ্চ-উদাসীনতায় প্রশ্নের ঝড়! প্রশাসন সূত্রে খবর, প্রায় ১৫ দিনের বিরতির পর উত্তরবঙ্গ ও গৌড়বঙ্গে সোমবার থেকে পুনরায় শুরু হয়েছে পঠনপাঠন

প্রথম দফার ভোট শেষে স্কুল খুললেও পড়ুয়াদের উপস্থিতি কম
  • ২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, তপন: প্রথম দফার ভোটপর্ব শেষে স্কুল খুললেও ফাঁকা বেঞ্চ-উদাসীনতায় প্রশ্নের ঝড়! প্রশাসন সূত্রে খবর, প্রায় ১৫ দিনের বিরতির পর উত্তরবঙ্গ ও গৌড়বঙ্গে সোমবার থেকে পুনরায় শুরু হয়েছে পঠনপাঠন। তবে স্কুল খুললেও পড়ুয়াদের উপস্থিতি খুব কম। বেশিরভাগ উচ্চ বিদ্যালয়ে হাতেগোনা ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতি কার্যত চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে শিক্ষা মহলে। গত ১২ এপ্রিল থেকে ভোটের কারণে বন্ধ ছিল স্কুলগুলি। দীর্ঘ বিরতির পর প্রথম দিনে চেনা ছবিটা ছিল না। অনেক স্কুলের প্রতি ক্লাসে ২-৩ জন করে ছাত্রছাত্রী উপস্থিত থাকার নজির সামনে এসেছে। তপন গার্লস হাইস্কুলে প্রায় প্রতিটি শ্রেণিতেই উপস্থিতির সংখ্যা দুই থেকে তিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল বলে স্কুল সূত্রে খবর। একই ছবি ধরা পড়েছে বালাপুর হাইস্কুলেও। যেখানে মোট উপস্থিতি একশোর গণ্ডি পেরয়নি। তপন হাইস্কুলেও তুলনামূলকভাবে অনেক কম ছাত্রছাত্রীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা গিয়েছে।

Advertisement

রামচন্দ্রপুর হাইস্কুলে উপস্থিতির সংখ্যা কিছুটা বেশি হলেও স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটাই কম। এদিন সেখানে মোট ১৪৮ জন ছাত্রছাত্রী স্কুলে আসে। তবে সব মিলিয়ে চিত্রটা স্পষ্ট- দীর্ঘ ছুটির পরেও স্কুলমুখী হওয়ার ক্ষেত্রে অনীহা দেখা যাচ্ছে পড়ুয়াদের মধ্যে। তপনের অন্য স্কুলগুলিতেও একই চিত্র ধরা পড়েছে।
এই পরিস্থিতি ঘিরে ইতিমধ্যেই নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খেতে শুরু করেছে শিক্ষা মহল ও সচেতন নাগরিকদের মধ্যে। অভিভাবকদের অসচেতনতা, নাকি পড়ুয়াদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ কমে যাওয়া, কোনটি আসল কারণ? আবার কেউ কেউ প্রশ্ন তুলছেন, দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকায় পড়াশোনার অভ্যাসে ভাটা পড়েছে কিনা। পাশাপাশি শিক্ষক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন, কোথাও কি গাফিলতি রয়ে গিয়েছে?
রামচন্দ্রপুর হাইস্কুলের টিআইসি শুভজিৎ সাহা বলেন, দীর্ঘদিন পর স্কুল খুললেও ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতি প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম। নির্বাচন পর্ব ও টানা ছুটির কারণে পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় কিছুটা ভাঙন এসেছে বলে মনে হচ্ছে। আমরা অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত স্বাভাবিক উপস্থিতি ফেরানোর চেষ্টা করছি। তপন গার্লস হাইস্কুলের টিআইসি কুহেলি গুপ্তা জানান, প্রথম দিনে উপস্থিতি খুবই কম ছিল। বেশিরভাগ ক্লাসে ২-৩ জন করে ছাত্রী এসেছে। সব মিলিয়ে, স্কুল খুললেও শ্রেণিকক্ষের ফাঁকা বেঞ্চ যেন নতুন করে ভাবাচ্ছে সকলকেই। এখন দেখার, এই অনীহা কাটিয়ে আবার কবে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরবে স্কুল।  ফাঁকা ক্লাসরুম।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ