নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: ডোমজুড়ের ফ্ল্যাটে পাশবিক নির্যাতনের শিকার তরুণীকে শুক্রবার ভর্তি করা হয় কামারহাটির সাগর দত্ত হাসপাতালে। কিন্তু তাঁর মস্তিষ্কের সিটি স্ক্যান করতে সময় গেলে গেল রবিবার দুপুর পর্যন্ত। বিষয়টি নিয়ে রীতিমতো ক্ষুব্ধ নির্যাতিতার পরিবার। তাদের তরফে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগও করা হয়েছে। তবে হাসপাতাল সূত্রে খবর, এখন ওই তরুণীর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডাঃ পার্থপ্রতিম প্রধান বলেন, ‘ওঁর মাথায় আঘাতের বিষয়টি চিকিৎসকদের জানানো হয়েছিল। সেই মতো রবিবার সকালেই সিটি স্ক্যান সহ সবরকম ব্যবস্থা করা হয়েছে।’ কাজের টোপ দিয়ে সোদপুরের এই যুবতীকে ডোমজুড়ের বাঁকড়ায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এরপর সেক্স র্যাকেটে নামানোর চেষ্টা হলে তিনি রাজি হননি। তা মানতে না চাওয়ায় শুরু হয়েছিল ‘তালিবানি’ নৃশংসতা। ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতেই সোদপুর থেকে ডোমজুড়—সর্বত্র শোরগোল পড়েছে। অপরাধীদের চরম শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছে সাধারণ মানুষ। এদিন হাসপাতালে শুয়ে ওই নির্যাতিতা বলেন, ‘সেই ভয়াবহ দিনগুলোর কথা ভাবলে এখনও কেঁপে উঠছি। আতঙ্কে দু’চোখের পাতা এক করতে পারছি না। সবসময় যেন একটা মারাত্মক ভয় তাড়া করছে। বাঁচার আশাই চলে গিয়েছিল। চরম অত্যাচারের পর ওরা সামান্য ওষুধও দিত না। এখনও যেন বিশ্বাস করতে পারছি না যে সত্যিই আমি ওই কারাগার থেকে বেরিয়ে এসেছি!’



