নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শুধু খেলা শেষের অপেক্ষা। তরতরিয়ে মাঠে নেমে এলেন সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। ডাগ-আউটের সেলিব্রেশনে মিশে গেলেন মোহন বাগান কর্ণধার। উৎসব, উচ্ছ্বাস, উন্মাদনা। আবার, আরও একবার ভারতসেরা মোহন বাগান। দুই ম্যাচ বাকি থাকতেই শিরোপা জিতল মোলিনার দল। পরপর দু’বার লিগ-শিল্ড জয়ে একাধিপত্যের স্পর্ধা। এমনিতেই যুবভারতী এখন সবুজ-মেরুন দুর্গ। শেষ বাঁশি বাজতেই বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস শুরু। আনন্দে মাঠে নেমেই নাচ শুরু মোলিনার। তাঁকে এতটা আবেগাপ্লুত আগে দেখা যায়নি। সেদিকে তাকিয়ে তৃপ্তির হাসি স্প্যানিশ কোচের মুখে। মরশুম শুরুর ‘গো ব্যাক মোলিনা’ পাল্টে গিয়েছে থ্রি চিয়ার্সে। কামিংসদের হেড স্যারের মন্তব্য, ‘অসাধারণ জার্নি। ফুটবলারদের অভিনন্দন। তবে কাজ এখনও অসম্পূর্ণ। আইএসএল ট্রফি জিতে ডাবল করাই লক্ষ্য।’ তাঁর অভিধানে আত্মতুষ্টির জায়গা নেই। বরং উৎসবের রাতে আবেগে গা ভাসালেন পালতোলা নৌকোর সওয়ারিরা। ম্যাচের নায়ক দিমিত্রির মন্তব্য, ‘এই জার্সির জন্যই যাবতীয় লড়াই। অবশেষে দলকে সাফল্য এনে দিতে পারায় ভালো লাগছে। এই খেতাব সমর্থকদের উৎসর্গ করতে চাই।’ নাচতে নাচতে ড্রেসিং-রুমে ফিরলেন লিস্টন। গোয়ানিজ ফুটবলার সোনার ফর্মে রয়েছেন। বলে গেলেন, ‘এই জয় সমর্থকদের উৎসর্গ করছি।’ স্টেডিয়াম ছাড়ার আগে সচিব দেবাশিস দত্তের মন্তব্য, ‘সাফল্যই শেষ কথা বলে। বারবার প্রমাণিত আমরা ঠিক পথেই এগিয়ে চলেছি।’ স্লোগান আর বাজনার শব্দে ঢেকে যায় সচিবের গলা।



