সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: মণ্ডল সভাপতিকে সংবর্ধনা জানানোর আগেই তুমুল গণ্ডগোলের অভিযোগ উঠল কাকদ্বীপের বিজেপি পার্টি অফিসে। রবিবার ঘটনাটি ঘটলেও তা প্রকাশ্যে এসেছে আজ। পার্টি অফিসের ভিতরে চলা গণ্ডগোলের একটি ভিডিও ঘুরছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তা দেখে বিজেপিকে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। বিজেপি যদিও গণ্ডগোলের অভিযোগ মানেনি।
Advertisement
রবিবার সন্ধ্যায় ‘কাকদ্বীপ মণ্ডল ২’ এর সভাপতি দেবাশিস দাসকে সংবর্ধনা দেওয়ার বিষয়ে পার্টি অফিসে আলোচনা চলছিল। তখনই বিজেপির কিছু কর্মী ও সমর্থক বিক্ষোভ দেখান। এমনকী অফিসের ভিতর চেয়ার ভাঙচুর ছাড়াও কর্মীদের মধ্যে ঠেলাঠেলি পর্যন্ত হয়। কারণ অনেকেই দেবাশিসকে সভাপতি হিসেবে মেনে নিতে পারেননি। এরপরই তুমুল গণ্ডগোল শুরু হয়ে যায়। ইতিমধ্যেই সেই গণ্ডগোলের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। একাংশের বিজেপি কর্মীর দাবি, ২০১৪ থেকে ১৮ সাল পর্যন্ত দেবাশিস সিপিএমের জয়ী সদস্য ছিলেন। তাই তাকে মেনে নিতে অনেকের অনীহা রয়েছে।
তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিষয়টিকে নিয়ে বিদ্রুপ করা হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্য বিপ্লব দাস বলেন, ‘এটা পদ সংক্রান্ত গণ্ডগোল নয়। বিজেপি কর্মীরা নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। তাই ঝামেলার সৃষ্টি হয়েছে।’ বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, কোনও বিক্ষোভ হয়নি। মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সম্পাদক কৌশিক দাস বলেন, ‘দু-চারজন কর্মীর মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়েছে। বিজেপির বিরুদ্ধে মিথ্যে রটানো হচ্ছে। দেবাশিস আগেও মণ্ডল সভাপতি ছিলেন। এবারেও তিনি নির্বাচিত হয়ে এসেছেন। এই বিষয় নিয়ে কোনও বিক্ষোভ হয়নি।’
তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিষয়টিকে নিয়ে বিদ্রুপ করা হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্য বিপ্লব দাস বলেন, ‘এটা পদ সংক্রান্ত গণ্ডগোল নয়। বিজেপি কর্মীরা নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। তাই ঝামেলার সৃষ্টি হয়েছে।’ বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, কোনও বিক্ষোভ হয়নি। মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সম্পাদক কৌশিক দাস বলেন, ‘দু-চারজন কর্মীর মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়েছে। বিজেপির বিরুদ্ধে মিথ্যে রটানো হচ্ছে। দেবাশিস আগেও মণ্ডল সভাপতি ছিলেন। এবারেও তিনি নির্বাচিত হয়ে এসেছেন। এই বিষয় নিয়ে কোনও বিক্ষোভ হয়নি।’



