ঢাকা: একজন ‘সুদখোর’-এর ক্ষমতার লিপ্সার কারণেই বাংলাদেশ জ্বলছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনুসের বিরুদ্ধে নাম না করে এভাবেই তোপ দাগলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামি লিগের ফেসবুক পেজ থেকে হাসিনার একটি অডিও বার্তা প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে হাসিনাকে বলতে শোনা গিয়েছে, একজন সুদখোর চড়া সুদে ঋণ দিয়ে গরিবের রক্ত চুষে খায়। সেই টাকায় দেশে বিদেশে অগাধ সম্পত্তি বৃদ্ধি করে। যদিও এই অডিও বার্তার সত্যতা ‘বর্তমান’ যাচাই করেনি। ওই অডিও বার্তায় হাসিনা অভিযোগ করেন, দেশের সমস্ত বৃহত্ প্রতিষ্ঠানকে কার্যত ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। রীতিমতো তথ্য দিয়ে তিনি দাবি করেছেন, তাঁর আমলে বাংলাদেশে বৃদ্ধির হার ৬.০৪ শতাংশে পৌঁছেছিল। এখন থেকে তা কমে হয়েছে ১ শতাংশ। হাসিনা জানান, দেশে দারিদ্র্যের হার ২৫ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশে নেমে এসেছিল। বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের মর্যাদা বেড়েছিল। এখন আর সে সব আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। হাসিনার অভিযোগ, বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষ জুলুমের শিকার হচ্ছে। মাথাপিছু আয় ক্রমশ কমছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম বাড়ছে। বহু ব্যবসা বন্ধ করে দিতে হয়েছে। চারদিকে শুধু হাহাকার। ইউনুস সরকারের কার্যকলাপের প্রতিবাদ করলেই যেভাবে সাংবাদিকদের চাকরি থেকে ছাঁটাই করে দেওয়া হচ্ছে। তাঁর দাবি, তিনি দেশ ছাড়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত ৩০০ জন সাংবাদিক চাকরি হারিয়েছেন। তাঁদের সরকারি অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। ১০৬ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ভুয়ো খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। সেই মামলায় তাঁদের জেলবন্দি করে রাখা হচ্ছে। এমনকী সাতজন সাংবাদিককে খুন হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছেন হাসিনা। এর আগেও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিরুদ্ধে অডিও বার্তায় সরব হয়েছিলেন তিনি। তবে সেই সময় ইউনুসকে এভাবে আক্রমণ করেননি তিনি। - ফাইল চিত্র



