


নয়াদিল্লি: ইরানে যৌথভাবে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা-ইজরায়েল। একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে তছনছ রাজধানী তেহরানসহ ইরানের একাধিক বড় শহর। পালটা প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানও। তবে এহেন অশান্তিতে ইন্ধন জোগানোয় সৌদির যুবরাজের নাম উঠে আসছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের দাবি, সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ব্যক্তিগতভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফোন করে ইরানে হামলার আহ্বান জানান। যদিও তিনি প্রকাশ্যে শান্তি ও কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষেই নিজের অবস্থান জানিয়েছিলেন। এও ঘোষণা করেছিলেন, সৌদির আকাশসীমা ইরানে হামলার জন্য ব্যবহার করা যাবে না। কিন্তু গোপনে তিনিই ট্রাম্পকে অনুরোধ করে গিয়েছেন সরাসরি হামলা চালানোর। এদিকে, মার্কিন হামলার জেরে পশ্চিম এশিয়ায় ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই-এর মৃত্যুতে চরমে পৌঁছেছে অশান্তি। কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ও একাধিক দেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, সৌদির মতো আমেরিকার কিছু মিত্র দেশে ইতিমধ্যেই হামলা চালাতে শুরু করেছেন ইরান। এই পরিস্থিতে ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করল সৌদি। সোশ্যাল মিডিয়ায় সে দেশের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে , ‘ইরানের নির্লজ্জ হামলার প্রতিক্রিয়ায় সৌদি আরবে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হয়েছে।’ উল্লেখ্য, সংঘাতের জেরে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। এবিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে পুরো অঞ্চলে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হবে।