


ওয়াশিংটন: ইরান যুদ্ধ পারমাণবিক সংঘাতে পরিণত হবে না। তবে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরে ইরানের হাতে সময় ফুরিয়ে আসছে। ঘড়ির কাঁটা থেমে নেই। হরমুজ প্রণালী ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যেই তেহরানকে ফের হুঁশিয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্পের। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই হুমকির মধ্যেই পশ্চিম এশিয়ায় এসে পৌঁছেছে আমেরিকায় তৃতীয় এয়ারক্র্যাফ্ট ক্যারিয়ার। আর তেহরানে ফের শোনা গিয়েছে বিস্ফোরণের শব্দ। সংঘর্ষ বিরতির পর এমন ঘটনা এই প্রথম। যদিও কীভাবে শুক্রবারের বিস্ফোরণটি ঘটল, তা স্পষ্ট নয়। ইজরায়েল জানিয়ে দিয়েছে, তাদের কোনো হাত নেই।
শান্তি চুক্তি নিয়ে আমেরিকা বারবার চাপ বাড়ালেও ইরানের দিক থেকে সেই অর্থে ইতিবাচক কোনো সাড়া মিলছে না। উলটে হরমুজ প্রণালী স্বাভাবিক ছন্দে এখনও না ফেরায় জ্বালানি ক্ষেত্রে চাপ বেড়েই চলেছে গোটা বিশ্বে। এই অবস্থায় ট্রাম্প ইতিমধ্যেই মার্কিন নৌসেনাকে নির্দেশ দিয়েছেন, ‘ইরানের কোনো জাহাজ হরমুজে মাইন বেছানোর চেষ্টা করলে গুলি চালিয়ে শেষ করে দিন। সেই জাহাজ আকারে যত ছোটোই হোক না কেন।’ তবে তা সত্ত্বেও তেহরান বিন্দুমাত্র বিচলিত না হওয়ায় ফের সুর চড়াতে দেখা যায় মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। সাংবাদিকরা হোয়াইট হাউসে তাঁকে প্রশ্ন করেন, তাহলে কি ইরান পরিস্থিতি পারমাণবিক সংঘাতের দিকে মোড় নিতে পারে? ট্রাম্প বলেন, ‘পরমাণু অস্ত্র কেন ব্যবহার করতে যাব? চিরাচরিত পথেই ওদের আমরা সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছি। আমি পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করব না। পরমাণু অস্ত্র কারও কখনও ব্যবহার করাই উচিত নয়।’ যদিও এক কিছুক্ষণের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ইরানের বিরুদ্ধে ফের সুর চড়ান ট্রাম্প। তিনি লেখেন, ‘আমার হাতে প্রচুর সময় আছে। কিন্তু ইরানের কাছে তা নেই। থেমে নেই ঘড়ির কাঁটা। ইরানের সেনাবাহিনী ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। তাদের নেতৃত্বও আর জীবিত নেই। হরমুজে চলছে মার্কিন অবরোধের বজ্রআঁটুনি। ইরানের অবস্থা আরও খারাপ হবে।’