সংবাদদাতা, হলদিবাড়ি: বাম আমলে নির্মিত সেতুর বেহাল দশা। এলাকায় সাতমুখা বলে পরিচিত এই সেতুটি লোহার খাঁচার ওপর তৈরি। কিন্তু সেই খাঁচায় মরচে পড়ে ক্ষয়ে গিয়েছে একাংশ। প্রশাসনের নজরদারির অভাবে গিরিয়া নদীর ওপর নির্মিত সেতুর বেহাল দশায় ক্ষুব্ধ হলদিবাড়ির দেওয়ানগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দারা।
দেওয়ানগঞ্জ থেকে লীলাহাটি যাওয়ার পথে মধ্য হুদুমডাঙা সাতমুখা এলাকায় সেতুটি রয়েছে। সেটির রেলিংও ভেঙেছে। যে কোনওদিন সেতু ভাঙতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের। এই ব্যাপারে স্থানীয় বাসিন্দা বিকাশ রায়ের মন্তব্য, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে সেতুর রেলিং ভেঙেছে। মরচে ধরেছে প্রতিটি লোহার খুঁটিতে। সেতুর উপরের অংশের বিভিন্ন স্থানে গর্ত। সেতু ভেঙে গেলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হতে পারে। সংস্কার না হওয়া এবং বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিপজ্জনক সেতু দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। পাশাপাশি, অসংখ্য যানবাহন চলে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়রা একাধিকবার প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তবুও সেতু সংস্কারে প্রশাসন উদ্যোগ নেয়নি।
গৌতম অধিকারী নামে আর এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, এলাকার কৃষকরা তাঁদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য গাড়ি এবং পিকআপ ভ্যানে সেতু দিয়ে হলদিবাড়ি শহরের পাইকারি বাজারে নিয়ে যান। সময় ও পরিবহণ খরচ বাঁচাতেই ঘুরপথে না গিয়ে ঝুঁকি নিয়ে এই সেতু দিয়ে চলাচল করতে হয়। তাই বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য দ্রুত এই সাতমুখা সেতুটি সংস্কার জরুরি।
এবিষয়ে দেওয়ানগঞ্জ গ্ৰাম পঞ্চায়েতের প্রধান পম্পা রায় বলেন, সেতুটির সংস্কার নিয়ে ঊদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। এবিষয়ে কোচবিহার জেলা পরিষদের সদস্য আলপনা রায় বলেন, বিষয়টি জেলা পরিষদের পূর্ত দপ্তরের নজরে আনা হয়েছে। দ্রুত সেতুটি সংস্কারের ব্যবস্থা করা হবে। মরচে ধরেছে সেতুর পিলারে। - নিজস্ব চিত্র।