মুলানপুর: কথায় বলে একজন অধিনায়ক ততটাই ভালো যতটা তাঁর দল। শ্রেয়স আয়ারের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা কিন্তু উল্টো। কলকাতা নাইট রাইডার্স ছেড়ে তিনি পাঞ্জাব কিংসে যোগ দেওয়ার সময় অনেকেই বলেছিলেন, চ্যাম্পিয়ন দল কেউ ছাড়ে নাকি! তবে নিন্দুকদের ভুল প্রমাণিত করেছেন শ্রেয়স। নেতৃত্বের চাপ সামলে রান করছেন। দলকে জেতাচ্ছেন। যা দেখে উজ্জীবিত বাকিরা। পঁচিশের আইপিএলে সেই কারণেই অনেকের চোখে এ যেন অচেনা পাঞ্জাব। পর পর দু’টি ম্যাচে জয়। ক্রিকেটারদের মনোবল তুঙ্গে। এই আবহে শনিবার ঘরের মাঠ মুল্লানপুরে রাজস্থান রয়্যালসের মুখোমুখি হচ্ছেন শ্রেয়সরা। রাজস্থানের অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। প্রথম দু’টি ম্যাচে হার। গত ম্যাচে অবশ্য জয়ের মুখ দেখেছেন রিয়ান পরাগরা। সেটাকে আঁকড়ে ধরেই পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে তৈরি সঞ্জু স্যামসন, নীতীশ রানারা।
পাঞ্জাব কিংসের টপ অর্ডারে নতুন মুখের ভিড় বেশি। ওপেনার প্রিয়াংশ আচার্য, প্রভসিমরন সিংরা ঝড়ের গতিতে রান তুলতে পারেন। শ্রেয়সের পাশাপাশি মার্কাস স্টোইনিস, গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের মতো তারকারা আছেন। নির্দ্বিধায় বলা যায়, ব্যাটিংয়ের চেয়ে পাঞ্জাবের বোলিং অনেক শক্তিশালী। পেস আক্রমণে বাঁ হাতি অর্শদীপ সিং, মার্কো জানসেন যে কোনও ব্যাটসম্যানকে বিপাকে ফেলতে পারেন। স্পিন বিভাগে অবশ্য কিছুটা খামতি চোখে পড়ছে।
এদিকে, যশ বাটলারকে ছাড়াটা যে বড় ভুল, সেটা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে রাজস্থান রয়্যালস। তার উপর ছন্দে নেই যশস্বী জয়সওয়াল। ফলে শুরুতে তৈরি হচ্ছে না বড় পার্টনারশিপ। সঞ্জু স্যামসনকে নিতে হচ্ছে বাড়তি দায়িত্ব। কিপিংয়ের অনুমতি পাওয়ায় এই ম্যাচে তিনিই ফিরছেন নেতৃত্বে। নীতীশ রানা আস্থার মর্যাদা রাখলেও অলরাউন্ডার রিয়ান পরাগ ছন্দ হাতড়ে বেড়াচ্ছেন। তবে তিনি ম্যাচ উইনার। মিডল অর্ডারে ধ্রুব জুরেল, হাসারাঙ্গা, হেটমায়ারও ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে দক্ষ। রাজস্থানের পেস আক্রমণ কাগজে কলমে বেশ শক্তিশালী। তবে বাস্তবে তার প্রতিফলন সব সময় দেখা যাচ্ছে না।