টোকিও: একসময় কলেজের হেভি মেটাল ব্যান্ডের ড্রামার ছিলেন। তাঁর ‘পলিটিক্যাল হিরো’ ছিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার। এবার জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসতে চলেছেন সানায়ে তাকাইচি। তিনিই হবেন জাপানের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী। জাতীয় সুরক্ষা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার ইস্যুকে হাতিয়ার করে জাপান রাজনীতিতে ধীরে ধীরে পায়ের তলার মাটি শক্ত করেন এই নেত্রী। অবশেষে তাঁর দীর্ঘ লড়াই পেল কাঙ্ক্ষিত সাফল্য। শাসক দল লিবারাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি তাঁকেই নতুন নেত্রী হিসেবে নির্বাচিত করেছে। শনিবার প্রতিদ্বন্দ্বী শিনজিরো কোইজুমিকে হারিয়ে দলনেতার আসন দখল করেন তিনি। বিশেষজ্ঞদের কথায়, প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হলেও তিনি শুধুমাত্র মহিলাদের পছন্দ নন। মহিলাদের ভালোবাসা ও জনপ্রিয়তার জেরেই তাঁর এই উত্থান নয়। বরং শুরু থেকেই লিবারাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির কট্টরপন্থী সদস্য হিসেবে পরিচিত ৬৪ বছরের তাকাইচি। চলতি মাসেই শিগেরু ইশিবার কাছ থেকে দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন তিনি। বিশেষজ্ঞদের কথায়, প্রধানমন্ত্রী পদে বসার পর দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার গুরুদায়িত্ব সামলাতে হবে তাকাইচিকে। বছর তিনেক আগেই দেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবেকে হত্যা করা হয়েছিল। তারপর থেকেই জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। সেই চ্যালেঞ্জের মোকাবিলাও করতে হবে তাকাইচিকে।



