• মানস মুকুল পাল পরিচালিত ‘সহজ পাঠের গপ্পো’ ছবির গোপাল চরিত্রটি তাঁর জীবনের টার্নিং পয়েন্ট। মাত্র ১৩ বছর বয়সে জাতীয় পুরস্কারে পুরস্কৃত তিনি। তারপর একাধিক সিনেমা, সিরিজে নজর কেড়েছেন অভিনেতা সামিউল আলম। এবার সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে তাঁকে দেখবেন দর্শক। সৌজন্যে রুদ্রজিৎ রায় পরিচালিত ‘পিঞ্জর’। একাধিক আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রশংসিত এই ছবি এবার মুক্তি পাচ্ছে বাংলায়। নিজের চরিত্র নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সামিউলের কথায়, ‘আমরা সকলে খাঁচাবন্দি। সেই গল্প নিয়েই এই ছবি। তবে আমার চরিত্রটি অন্যধারার। সে খাঁচাবন্দি নাকি মুক্ত বিহঙ্গ, তা নির্ধারণ করবেন দর্শক।’ একের পর এক আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সাফল্য কি ছবি মুক্তির আগে প্রত্যাশ্যা বাড়িয়েছে? সামিউলের ব্যাখ্যা, ‘আমরা সকলেই নিজেদের ২০০ শতাংশ দিয়েছি। এবার সিদ্ধান্ত নেবেন দর্শক।’
যে কোনো চরিত্রতে প্রাণ সঞ্চারের আগে কীভাবে প্রস্তুতি নেন? সামিউল ফাঁস করলেন নিজের ‘মেথড’। বললেন, ‘পরিচালকের সঙ্গে কথা বলে বুঝে নিই উনি কী চাইছেন। নিজে কিছু ভেবে থাকলে সেটাও জানাই। আর সবচেয়ে বড়ো কথা, আমি আশপাশের মানুষজনকে অবজার্ভ করি সবসময়। কোনো চরিত্র পড়ে যদি মনে হয়, হ্যাঁ একে তো আমি দেখেছি বাস্তবে, তাহলে তার মতো করে করার চেষ্টা করি। যাতে পর্দায় কেউ বুঝতে না পারেন, আমি অভিনয় করছি।’ শিশুশিল্পী হিসাবে বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন সামিউল। তা কি বাড়তি সুবিধা দিয়েছে? ‘আমার জীবনের সেরা ছবি ‘সহজ পাঠের গপ্পো’। তবে সেটা মুক্তির পর প্রায় দু’বছর কোনো কাজের প্রস্তাবও পাইনি’, বললেন সামিউল। আর জাতীয় পুরস্কার? তাঁর কথায়, ‘তখন বুঝিনি। এখন উপলব্ধি করতে পারি।’ মানস মুকুল পালের পরিচালনায় ‘চণ্ডীকথা’ নামক একটি ছবিতে অভিনয় করবেন সামিউল। আপাতত সেই ছবিরই প্রস্তুতিতে রয়েছেন তিনি।
শান্তনু দত্ত