আজ মুক্তি পেল ‘অভিমান’। একান্ত সাক্ষাৎকারে শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়।
আজ মুক্তি পেল ‘অভিমান’। একান্ত সাক্ষাৎকারে শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়।
যিশু সেনগুপ্ত এবং সৌরভ দাশ প্রযোজিত প্রথম ছবিতেই আপনি রয়েছেন। দায়িত্ব কি বেশি ছিল?
দায়িত্ব বেশি নয়। তবে যে কোনো প্রথম কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকলে খুব স্পেশাল অনুভূতি তৈরি হয়। কারণ প্রথম অভিজ্ঞতা কখনো ভোলা যায় না।
আপনি, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, যিশু, সৌরভ— প্রত্যেকে প্রযোজক। শ্যুটিংয়ে মতবিরোধ হত?
মতবিরোধ নয়। ‘হোয়াই সো সিরিয়াস’ প্রযোজনা সংস্থা বা ‘অভিমান’ ছবিটার সঙ্গে আমি আর বুম্বাদা ইমোশনালি অনেকটা ইনভলভ হয়ে গিয়েছি। যিশু এবং সৌরভের প্রযোজনার জার্নিটা আমাদের খুব কাছের।
আপনার চরিত্র শ্রী-কে গড়লেন কীভাবে?
পরতে পরতে আবেগ রয়েছে শ্রী-র। সে কখনো ভালনারেবল, কখনো সফট। এত রকম আবেগের সংমিশ্রণ, সেটা কতটা সুন্দর করে দেখানো যায়, সেই চেষ্টাই করেছি।
অভিমান শব্দটা শুনলে কী মনে পড়ে?
অভিমান খুব ব্যক্তিগত অনুভূতি। কাছের মানুষের প্রতি অভিমান দেখানো যায়। যে এই অনুভূতির সম্মান করবে।
আপনাদের টিমে কে বেশি অভিমানী?
যিশুদা। যখন তখন কেঁদে ফেলে (হাসি)।
এখনও কি প্রত্যেকদিন নিজেকে প্রমাণ করতে হয়?
অবশ্যই। আমাদের পারফর্ম করে যেতেই হবে। যতদিন পারফর্ম করব, ততদিন কাজ পাব।
সম্পর্কের খাতিরে কাজ পাওয়া যায় না?
সম্পর্কের খাতিরে একটা ছবিতে হয়তো কাজ পাব। তারপর আর নয়। দর্শকের জন্য তো বটেই, নিজের জন্যও পারফর্ম করতে হবে। এটা প্রতিযোগিতামূলক একটা দুনিয়া। আমার থেকে ভালো পারফর্ম যিনি করবেন, তিনিই সুযোগ পাবেন। আমি বর্ধমান থেকে একটা জিনিসই নিয়ে এসছিলাম। সাহস। আমি কখনো অসৎ কাজ করিনি। তাই কেউ আমাকে ভয় দেখাতে পারবে না।
বর্ধমানের সেই মেয়েটার সঙ্গে আজ দেখা হলে কী বলবেন?
(হাসি) তার পিঠ চাপড়ে দিয়ে বলব, ‘তুমি ভালো কাজ করেছ’।
সেই মেয়েটা বেশি অভিমানী ছিল, নাকি আজকের মেয়েটা বেশি অভিমানী?
সেই মেয়েটা বেশি অভিমানী ছিল। কিন্তু ওকে আমি ধীরে ধীরে বড়ো করেছি। সে বড়ো হওয়ার পর বুঝেছে, নিজের মতো করে সব জিনিস হয় না। জীবনটা খুব ছোটো। প্রতিটা মুহূর্ত এনজয় করা গুরুত্বপূর্ণ।
‘দেশু সেভেন’-এ দেবকে পরিচালক হিসেবে কেমন দেখছেন?
এই প্রশ্নটা নিয়ে একটা গোটা সাক্ষাৎকার দিতে চাই। কারণ দেব সেটা ডিজার্ভ
করে (হা হা হা...)।
স্বরলিপি ভট্টাচার্য