সল্টলেকে সবথেকে বড়ো কালী জি সি ব্লকে ৩৭ ফুটের প্রতিমা
  • ৩০ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

অলকাভ নিয়োগী, বিধাননগর: বিশ্বশক্তি শুধু সর্বমঙ্গলা দুর্গা নন, রুধিরাক্ত, ধ্বংস-নৃত্যরতা করালী কালীও। তাঁর অসীম আকার। যিনি প্রলয়কালে বিশ্বজগতের সমস্ত পদার্থ ভক্ষণ করেন তিনিই কালী। এবারের কালীপুজোয় তাঁর এই বিশালাকার রূপ দেখার সুযোগ করে দিচ্ছে সল্টলেকের জি সি ব্লক। সেখানে এবার দেখা যাবে ৩৭ ফুট উচ্চতার কালী প্রতিমা।

Advertisement

চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজোয় ব‌঩ড়ো আকারের প্রতিমা দেখা যায়। কিন্তু সল্টলেকে এরকম বড়ো আকারের প্রতিমা দেখা যেত না। এবার যাবে। এতবড় কালী কার্যত এই প্রথম হচ্ছে উপনগরীতে। দুর্গাপুজোর আগে থেকেই শুরু হয়েছে প্রতিমা গড়ার কাজ। বাঁশের কাঠামো বেঁধে চলছে ওই বিশাল প্রতিমা গড়া। উদ্বোধনের জন্য উদ্যোক্তারা আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে। মাঠজুড়ে চলছে প্যান্ডেল তৈরির প্রস্তুতি।
সল্টলেক জি সি ব্লকের কালীপুজো এই প্রথমবার হচ্ছে এমন নয়। গত ২৮ বছর ধরে এখানে পুজো হচ্ছে। এবার ২৯ তম বর্ষ। তবে এত বড়ো আকারের প্রতিমা এই প্রথম। এলাকার মানুষের মধ্যেও সে কারণে প্রচণ্ড কৌতূহল। দুর্গাপুজো শেষ হয়েছে। চারিদিকে উৎসবের আমেজ এখন। তার মধ্যে অন্যতম আকর্ষণ হিসাবে আলোচিত হচ্ছে এই কালী। কুমোরটুলির শিল্পী রাজা পাল প্রতিমা তৈরি করছেন। এই আকারের মূর্তি কুমোরটুলি থেকে সল্টলেকে আনা সম্ভব নয়। তা‌ই জি সি মাঠেই চলছে কাজ। শিল্পীর সঙ্গে কাজ করছেন একাধিক কারিগর। যেহেতু প্রতিমার উচ্চতা অনেক, তাই ঠাকুর গড়তে বিশাল কাঠামো বানানো হয়েছে। তার উপর উঠে কাজ করছেন শিল্পীরা। কালীর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নীচে শায়িত বিশাল আকারের শিব। শিয়ালের উচ্চতাও প্রায় ‘এক মানুষ’। পুজো কমিটির আহ্বায়ক শান্তনু দাস বলেন, এবার আমরা প্রতিমার উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছি। এত বড়ো কালী এর আগে হয়নি। ৬ নভেম্বর উদ্বোধন। এখানকার বিধায়ক তথা রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ শারদ্বত মুখোপাধ্যায় থাকছেন। আমরা মুখ্যমন্ত্রীকেও আমন্ত্রণ জানিয়েছি। মাঠেই দেবীর বিসর্জন পর্ব হয়। সেই উপলক্ষ্যে চীনের ড্রাগন ডান্স, ইন্ডিয়ান ক্লাসিকাল, ছৌনাচ, মহিলা ঢাকি সহ বিরাট অনুষ্ঠান হবে। সেগুলিও পুজোর অন্যতম আকর্ষণ। শিল্পী রাজা পাল বলেন, মাটির প্রতিমার উচ্চতা ৩৩ ফুট। রং হওয়ার পর মুকুট পরানো হলে উচ্চতা বেড়ে প্রায় ৩৭ ফুট হবে। তা হবে সত্যিই বিশালাকার।