নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: স্কুলের ১০০ গজের মধ্যে কোনও ধরনের তামাকজাত দ্রব্য সেবন বা বিক্রি আইনত নিষিদ্ধ। কিন্তু এই আইনকে অগ্রাহ্য করে জেলার বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাইরে সাধারণ মানুষ তা সেবন করতে দেখা গিয়েছে। অনেক দোকানদারকেও তা বিক্রি করতে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে, জেলা স্বাস্থ্যবিভাগের আধিকারিকরা এসবের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযান চালাচ্ছেন। সিগারেটস অ্যান্ড আদার টোব্যাকো প্রোডাক্টস অ্যাক্ট ২০০৩ অনুসারে জরিমানা করছেন দোকানদার থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষকে। জেলার বিভিন্ন প্রান্তে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছেন স্বাস্থ্য আধিকারিকরা। সম্প্রতি, ভাঙড় দু’নম্বর ব্লকের পোলেরহাট স্কুলের কাছে ছ’টি দোকানে দোকানদারদের সিগারেট, বিড়ি ও তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি করতে দেখা যায়। প্রত্যেককেই জরিমানা করা হয়েছে। কিছুদিন আগে বিষ্ণুপুরে একাধিক স্কুলের আশেপাশে ১১ জনকে প্রকাশ্যে ধূমপান করার অপরাধে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। তবে ফলতা, ডায়মন্ডহারবার, মথুরাপুর প্রভৃতি জায়গায় বারে বারে প্রচার করার পরও দোকানদারদের উদাসীন মানসিকতা সামনে এসেছে। তাই তাঁদের জরিমানা করা হয়েছে বলে জানান আধিকারিকরা। এখনও বিভিন্ন ব্লকে নিয়মিতভাবে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে। তবে বিষয়টি একেবারে বন্ধ করা যায়নি। স্কুলের কাছেই যেসব দোকানগুলিতে তামাকজাত দ্রব্য পাওয়া যায়, সেই দোকানদারদের প্রথমে সেসব দ্রব্য বিক্রি না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। কথা শোনার আশ্বাসও তাঁরা দেন। কিন্তু আধিকারিকরা চলে গেলেই আবার যে কে সেই। জেলা সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় এখনও পর্যন্ত শতাধিক দোকানদার ও সাধারণ মানুষকে ১৬ হাজারের বেশি টাকার জরিমানা করা হয়েছে। এর মধ্যে ডায়মন্ডহারবার স্বাস্থ্য জেলায় প্রায় ছয় হাজার এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় সাড়ে দশ হাজারের বেশি টাকার জরিমানা করা হয়েছে। -নিজস্ব চিত্র



