নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বছর দেড়েক আগেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে র্যাগিংয়ের জেরে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় উত্তাল হয়েছিল রাজ্য রাজনীতি। উঠে এসেছিল র্যাগিং মোকাবিলায় কর্তৃপক্ষের ঢিলেঢালা মনোভাবের অভিযোগও। এবার র্যাগিং নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় ইউজিসির শো-কজের মুখে পড়ল রাজ্যের পিজি হাসপাতাল তথা আইপিজিএমইআর মেডিক্যাল কলেজ। ভর্তির সময় ছাত্রদের কাছ থেকে র্যাগিং বিরোধী মুচলেকা কেন নেওয়া হয়নি, তা জানতে চেয়ে তাদের শো-কজ করেছে উচ্চশিক্ষার সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থাটি।
Advertisement
বেশ কয়েকবছর ধরেই র্যাগিং রোধে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির জন্য একগুচ্ছ গাইডলাইন জারি করেছে ইউজিসি। বেশকিছু নির্দেশিকা রীতিমতো সর্বোচ্চ আদালতের অর্ডারের ভিত্তিতেই তৈরি। তাই এগুলি মানার ব্যাপারে বেশ কড়াকড়িও করে থাকে ইউজিসি। নির্দেশিকাগুলির অন্যতম হল র্যাগিং বিরোধী এই মুচলেকা গ্রহণ। প্রথম বর্ষে ভর্তির সময়েই একটি ফর্ম দিয়ে তা পূরণ করে জমা দিতে বলা হয় ছাত্রছাত্রীদের। সেটির বয়ানে উল্লেখ থাকে, ক্যাম্পাস বা ছাত্রাবাসে কোনও ধরনের র্যাগিংয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন না সংশ্লিষ্ট পড়ুয়া। যদি এমন কোনও ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ হয় তাহলে বহিষ্কারের পাশাপাশি অন্যান্য শাস্তির মুখোমুখি হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে তাঁকে। পাশাপাশি, এমন কোনও ঘটনা নিজের বা অন্যের সঙ্গে ঘটলে তা কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ জানাতে হবে। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, শুরুতেই এমন সতর্কবাণী মনস্তাত্ত্বিকভাবে পড়ুয়াদের র্যাগিংয়ের বিপদ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল করে। তাই এই মুচলেকাকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেয় ইউজিসি। আর তা সময়মতো না গ্রহণ করতে পারার জন্যই ইউজিসির কোপে পড়েছে পিজি। এই প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া নেওয়ার জন্য ফোন করা হয় সংশ্লিষ্ট মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ মণিময় বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তবে তিনি ফোন তোলেননি।
তবে ইতিবাচক দিক হল, এই প্রশ্নে আর কোনও মেডিক্যাল কলেজ এরাজ্য থেকে নেই। বাকি ১৭টি মেডিক্যাল কলেজের অধিকাংশই বিজেপি বা তার জোটের ডাবল ইঞ্জিন সরকার থেকে। উত্তরপ্রদেশ এবং মধ্যপ্রদেশ থেকে রয়েছে একটি করে। অসম থেকে রয়েছে দু’টি মেডিক্যাল কলেজ। তিনটি করে মেডিক্যাল কলেজ রয়েছে বিহার এবং অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে। এগুলি মূলত বিজেপি বা তার জোটশাসিত রাজ্য। পুদুচেরি, তামিলনাড়ু এবং দিল্লি থেকে রয়েছে দু’টি করে মেডিক্যাল কলেজ। তেলেঙ্গানা থেকেও রয়েছে একটি। চিঠি পাওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে সবক’টি কলেজকেই কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। কেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তাও লিখতে বলেছে ইউজিসি।
তবে ইতিবাচক দিক হল, এই প্রশ্নে আর কোনও মেডিক্যাল কলেজ এরাজ্য থেকে নেই। বাকি ১৭টি মেডিক্যাল কলেজের অধিকাংশই বিজেপি বা তার জোটের ডাবল ইঞ্জিন সরকার থেকে। উত্তরপ্রদেশ এবং মধ্যপ্রদেশ থেকে রয়েছে একটি করে। অসম থেকে রয়েছে দু’টি মেডিক্যাল কলেজ। তিনটি করে মেডিক্যাল কলেজ রয়েছে বিহার এবং অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে। এগুলি মূলত বিজেপি বা তার জোটশাসিত রাজ্য। পুদুচেরি, তামিলনাড়ু এবং দিল্লি থেকে রয়েছে দু’টি করে মেডিক্যাল কলেজ। তেলেঙ্গানা থেকেও রয়েছে একটি। চিঠি পাওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে সবক’টি কলেজকেই কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। কেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তাও লিখতে বলেছে ইউজিসি।



