Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

হুগলিতে দেওয়াল দখলের যুদ্ধ, বিরোধীদের টেক্কা শাসক দলের

নির্বাচনের নির্ঘণ্ট এখনও প্রকাশ হয়নি। কিন্তু তার মধ্যেই হুগলিতে শুরু হয়ে গেল দেওয়াল দখলের লড়াই। তবে একে লড়াই বলা হলেও ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত কার্যত একাই ময়দান দাপাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস।

হুগলিতে দেওয়াল দখলের যুদ্ধ, বিরোধীদের টেক্কা শাসক দলের
  • ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০২
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: নির্বাচনের নির্ঘণ্ট এখনও প্রকাশ হয়নি। কিন্তু তার মধ্যেই হুগলিতে শুরু হয়ে গেল দেওয়াল দখলের লড়াই। তবে একে লড়াই বলা হলেও ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত কার্যত একাই ময়দান দাপাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। চুঁচুড়া থেকে গুপ্তিপাড়া, শ্রীরামপুরের মহকুমা সদর থেকে গ্রামীণ শ্রীরামপুরে দেওয়াল দখলের কাজে তৃণমূল কয়েক যোজন এগিয়ে গিয়েছে। ঘাসফুলের রঙিন ও রকমারি প্রতীকে ইতিমধ্যেই ভরে উঠেছে দেওয়াল। যেখানে প্রতীক আঁকা হয়নি, সেখানে চুন করা দেওয়ালে শাসক দলের ‘দখলদারির বিজ্ঞাপন’ উজ্জ্বল হয়ে ফুটে উঠেছে।

Advertisement

পদ্মপার্টি থেকে বাম— কোনোপক্ষের মধ্যেই এনিয়ে তেমন হেলদোল এখনও চোখে পড়েনি। তবে রাজনৈতিক তরজার ক্ষেত্র ইতিমধ্যেই উসকে গিয়েছে। বিজেপির দাবি, দেওয়াল দখল করতে গেলেই শাসকদল নানাভাবে বাধা দেয়। তাই আপাতত সংঘাত এড়িয়ে চলছি আমরা। বামেদের দাবি, নির্বাচনে জনসংযোগ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই আপাতত সেই কাজেই জোর দেওয়া হয়েছে। যদিও রাজনৈতিক মহল বলছে, দেওয়াল দখলের জন্য বিপুল এবং উৎসাহী কর্মী থাকা প্রয়োজন। নানা কারণে হুগলির বিরোধী দলগুলি এক্ষেত্রে অনেকটাই পিছিয়ে। তার জেরেই দেওয়াল দখল শুরু হলেও ‘প্রতিযোগিতা’ এখনও নেই।
তৃণমূলের জেলা চেয়ারম্যান অসীমা পাত্র বলেন, কর্মীরা নির্বাচন নিয়ে খুবই উৎসাহী। নির্বাচনের অন্যতম প্রয়োজনীয় আঙ্গিক দেওয়াল লিখন। সেই কাজের প্রস্তুতি কর্মীরা নিতে শুরু করেছেন। সদ্য চুঁচুড়ায় হইচই করে দেওয়াল দখলের কাজ শুরু করেছেন চুঁচুড়া পুরসভার কাউন্সিলার জয়দেব অধিকারী। 
তিনি বলেন, পাড়ার বাসিন্দারাই আমাদের দেওয়াল লেখার জন্য উৎসাহ জোগাচ্ছেন। বিজেপি বা অন্য দলকে কেউ দেওয়াল দিতে চাইছেন না। তাই ওরা দেওয়াল দখল করতে পারছে না। বিজেপির জেলার নেতা সুরেশ সাউ বলেন, কয়েক বছর ধরে তৃণমূল এই কাজটাই করছে। বাসিন্দারা আমাদের দেওয়াল লেখার অনুমতি দিলেই ওরা হুমকি দিচ্ছে। তাই আমরা আপাতত সংঘাত জড়াতে চাইছি না। তাছাড়া দেওয়াল লিখনের অনেক বিকল্প আছে।
হুগলি জেলায় উন্নয়নের ফিরিস্তি নিয়ে দলের কর্মী থেকে মহিলা ও যুব সংগঠনকে পৃথক পৃথকভাবে পথে নামিয়েছিল তৃণমূল। জানুয়ারি থেকে কার্যত নীরবে একপ্রস্থ ভোটপ্রচার সেরেই ফেলেছে শাসকদল। ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ না হলেও লড়াইয়ের ঢাকে কাঠি কার্যত পড়ে গিয়েছে। এবার জেলাজুড়ে দেওয়াল দখলে নেমে সেই প্রচারকেই আরও উচ্চগ্রামে তুলছে তৃণমূল।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ