সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: নামখানার নারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঈশ্বরীপুরের বাসিন্দাদের কাছে সবচেয়ে বড় সমস্যা হল রাস্তা। মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য সেখানে ভালো কোনও রাস্তা নেই। মূলত গ্রামের ভগ্নপ্রায় মাটির নদীবাঁধের উপর দিয়ে তাঁদের যাতায়াত করতে হয়। কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে, রোগীকে দোলনায় প্রায় এক কিলোমিটার নদীবাঁধ ধরে নিয়ে গিয়ে ইটের রাস্তা থেকে টোটো ধরতে হয়। স্কুল, কলেজ, নামখানা বাজার সহ ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কে যেতে হলেও দুর্ভোগে পড়েন এই গ্রামের বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, এই বিষয়ে বিভিন্ন দপ্তরে জানিয়েও কোনও সুরাহা হয়নি।
Advertisement
এবিষয়ে স্থানীয় এক বাসিন্দা সুভদ্রা দাস বলেন, এই গ্রামের কেউ বর্ষার সময়ে স্কুল বা কলেজে যেতে পারে না। কারণ তখন মাটির নদী বাঁধ পুরো কাদা কাদা হয়ে যায়। অন্য সময়েও কেউ ঠিকমতো সাইকেল চালিয়ে এই নদীবাঁধ দিয়ে যাতায়াত করতে পারে না।
ঈশ্বরীপুরের বাসিন্দাদের এই সমস্যার কথা ভেবে এবার বিকল্প হিসেবে হাতানিয়া দোয়ানিয়া নদীতে ভুটভুটি চালানোর পরিকল্পনা নিল নারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েত। এবিষয়ে ওই পঞ্চায়েতের উপপ্রধান উত্তম প্রামাণিক বলেন, ঈশ্বরীপুরের বাসিন্দাদের যাতায়াতের খুব সমস্যা রয়েছে। তাই ঈশ্বরীপুর থেকে নারায়ণপুর পর্যন্ত হাতানিয়া দোয়ানিয়া নদীতে ভুটভুটি চালানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। দিনে চারবার, সকালে দু’টি ও বিকেলে দুটি, ভুটভুটি চলবে। তখন মাত্র আধ ঘণ্টাতেই গ্রামবাসীরা নারায়ণপুর বাজার সহ ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কে যেতে পারবেন।
ঈশ্বরীপুরের বাসিন্দাদের এই সমস্যার কথা ভেবে এবার বিকল্প হিসেবে হাতানিয়া দোয়ানিয়া নদীতে ভুটভুটি চালানোর পরিকল্পনা নিল নারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েত। এবিষয়ে ওই পঞ্চায়েতের উপপ্রধান উত্তম প্রামাণিক বলেন, ঈশ্বরীপুরের বাসিন্দাদের যাতায়াতের খুব সমস্যা রয়েছে। তাই ঈশ্বরীপুর থেকে নারায়ণপুর পর্যন্ত হাতানিয়া দোয়ানিয়া নদীতে ভুটভুটি চালানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। দিনে চারবার, সকালে দু’টি ও বিকেলে দুটি, ভুটভুটি চলবে। তখন মাত্র আধ ঘণ্টাতেই গ্রামবাসীরা নারায়ণপুর বাজার সহ ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কে যেতে পারবেন।



