নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব এবং দল প্রকাশ্যে স্বীকার করুক বা না করুক, দেশজোড়া আন্দোলনে সিঁদুরে মেঘ দেখছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ। জেনজি থেকে নাগরিক মঞ্চ ও সংগঠন। বিরোধী রাজনৈতিক দলের সভা সমাবেশে বিপুল সাড়া। এসব কীসের লক্ষণ? এই ভাবনায় সংঘ উদ্বিগ্ন। ইন্দোরে তাই জেনজি আন্দোলন, জনতার মনোভাব এবং কেন ক্রমেই বিরোধীদের উত্থাপিত অভিযোগ উত্তরোত্তর গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছে, সেই সব বিষয় নিয়েই আলোচনা করছে সংঘ। তিনদিন ধরে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক হচ্ছে। আজ শেষ। একঝাঁক ইস্যুতে আগামী দিনের রোডম্যাপ কী হবে সেই সিদ্ধান্ত ও প্রস্তাব নেওয়া হবে। পাশাপাশি রাজনারায়ণ বসু থেকে স্বামী শ্রদ্ধানন্দ, হিন্দুত্ব ও জাতীয়তাবাদী স্বদেশ চেতনার যাঁরা পথিকৃৎ, তাঁদের স্মরণ করে বিশেষ প্রস্তাবনা ও বিবৃতি গ্রহণ করা হবে।
একইসঙ্গে জানা যাচ্ছে, আরএসএস সাংগঠনিক কাঠামোর বদল আনতে চলেছে এই প্রথম। আরএসএসের কোনও পৃথক রাজ্য শাখার অস্তিত্ব এতদিন নেই। কেন্দ্রীয়ভাবেই দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। এবার রাজ্য শাখা গঠন করে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হবে কয়েকজন পদাধিকারীকে। মূল লক্ষ্য আরএসএসের কাঠামোর বিকেন্দ্রীকরণ। ইন্দোরের বৈঠকে আরএসএস-এর অন্যতম আলোচনার বিষয় ছিল জেনজি আন্দোলন। বিজেপি কেন জেনজি আন্দোলনের পালটা নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে পারছে না? এই প্রশ্নও উঠছে।
বস্তুত, বিজেপির পালটা কর্মসূচিতে সংঘ সন্তুষ্ট নয়। যে পর্যায়ে বর্তমানে এই গণ আন্দোলন চলে গিয়েছে, সেই পর্যায়ে কেন যেতে দেওয়া হল? আগেই কেন প্রশমিত করা গেল না? এই নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে সংঘের। এই অবস্থায় কীভাবে জেনজি এবং নাগরিক সমাজকে কাছে টানা যায়, সেই ফরমুলা খুঁজছে আরএসএস।



