সংবাদাতা, আলিপুরদুয়ার: হলং বনবাংলো পূনর্নির্মাণের জন্য ৩ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করল রাজ্য। ফলে জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের ঐতিহ্য ও গর্বের এই বাংলো তৈরিতে আর বাধা রইল না। রাজ্য সরকার সবুজ সংকেত দেওয়ায় উচ্ছ্বসিত পর্যটকরা।
সংবাদাতা, আলিপুরদুয়ার: হলং বনবাংলো পূনর্নির্মাণের জন্য ৩ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করল রাজ্য। ফলে জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের ঐতিহ্য ও গর্বের এই বাংলো তৈরিতে আর বাধা রইল না। রাজ্য সরকার সবুজ সংকেত দেওয়ায় উচ্ছ্বসিত পর্যটকরা।
২০২৪ সালের ১৮ জুন রাতে বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের হলং বনবাংলো। অগ্নিকাণ্ডের পর পর্যটকদের মধ্যে সংশয় ছিল বাংলোর পূনর্নির্মাণ হবে তো? পূনর্নির্মাণের দাবিতে সেই সময় দেশেবিদেশ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছিলেন পর্যটকরা।
শুধু তাই নয়, দাবি উঠেছিল হলং বাংলো যেন অবিকল আগের নকশা মেনেই তৈরি করা হয়। বাংলো তৈরি করার ক্ষেত্রে বাধা হয়েছিল ১৯৭২ সালের বন্যপ্রাণী আইন। এই আইনে বলা আছে, সংরক্ষিত জঙ্গলে কোনও বাণিজ্যিক নির্মাণ নিষিদ্ধ। তবে রাজ্যের বন্যপ্রাণ শাখার উত্তরবঙ্গের মুখ্য বনপাল ভাস্কর জে ভি জানান, এই বাংলো পূনর্নির্মাণে কোন বাধা নেই। কারণ এটা কোনও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নয়। এখান থেকে যে টাকা আয় হয়, তা রাজ্য সরকারের কোষাগারে জমা পড়ে না। সবটাই খরচ হয় জাতীয় উদ্যানের উন্নয়ন ও বন্যপ্রাণী সুরক্ষায়। তাছাড়া, এই বাংলো তৈরি হয়েছিল ১৯৬৭ সালে। তখনও বন্যপ্রাণী আইন পাশ হয়নি।