Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মেদিনীপুরে ২৪৩টি পরিবারকে ছাদ তৈরির জন্য ৩ কোটিরও বেশি টাকা

মেদিনীপুর পুর এলাকায় ‘সকলের জন্য বাড়ি’  প্রকল্পে উপকৃত হল ২৪৩টি পরিবার।

মেদিনীপুরে ২৪৩টি পরিবারকে ছাদ তৈরির জন্য ৩ কোটিরও বেশি টাকা
  • ১২ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: মেদিনীপুর পুর এলাকায় ‘সকলের জন্য বাড়ি’  প্রকল্পে উপকৃত হল ২৪৩টি পরিবার। এই পরিবারগুলিকে বাড়ির ছাদ তৈরির জন্য টাকা দেওয়া হয়েছে। এতে মোট খরচ হয়েছে ৩ কোটি টাকার বেশি। পয়লা বৈশাখের আগে টাকা পাওয়ায় খুশি উপভোক্তারা। তবে এখনও ৯৬৩টি পরিবার ছাদ তৈরির টাকা পায়নি। এদিকে শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খবর, সরকারি বাড়ি তৈরির পর সেই বাড়ি বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই একটি পরিবারকে বাড়ি তৈরির টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে পুরসভা।

Advertisement

পুর আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, সরকারি বাড়ি বিক্রি করলেই কড়া পদক্ষেপ করা হবে। এমনকী সরকারি টাকা ফেরত না দিলে এফআইআর করা হবে। ধাপে ধাপে বাড়ি তৈরির টাকা এলেই তা উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এখনও যেসব বাড়ির কাজ শুরু হয়নি, সেগুলো দ্রুততার সঙ্গে শুরু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। মেদিনীপুর পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খান বলেন, হাউজ ফর অল প্রকল্পের জন্য টাকা এসেছে। উপভোক্তাদের সেই টাকা দেওয়া হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য একশো শতাংশ মানুষকে এই প্রকল্পের আওতায় আনা। একইসঙ্গে পুর এলাকায় বহু মানুষ বাড়ি পাননি। নির্দেশিকা এলেই ফের নতুন বাড়ি তৈরির কাজ শুরু হবে। কিন্তু কেউ বেআইনি কাজ করলে মেনে নেওয়া হবে না।
প্রসঙ্গত, ‘সকলের জন্য বাড়ি’ প্রকল্পের মাধ্যমে শহরের মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। রাজ্য প্রশাসন চাইছে, গ্রামীণ এলাকার পাশাপশি শহর এলাকায় স্বচ্ছতার সঙ্গে মানুষের জন্য পাকা বাড়ি তৈরি করতে। সেই মতো দ্রুততার সঙ্গে কাজ চলছে। তবে পর্যাপ্ত ফান্ডিংয়ের অভাবে কাজ আটকে থাকার ঘটনাও ঘটছে।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর শহরে ২০১৫-’১৬ অর্থবর্ষে ১ হাজার ১৯৮টি বাড়ির অনুমোদন মিলেছিল। সবক’টি বাড়ি তৈরি হয়েছে। ২০১৭-’১৮ অর্থবর্ষে ৭৯৮টি বাড়ির অনুমোদন মিলেছিল। একশো শতাংশ বাড়ি তৈরি হয়ে গিয়েছে। ২০১৮-’১৯ অর্থবর্ষে ১ হাজার ১০০টি বাড়ির অনুমোদন মিলেছিল। সবক’টি বাড়ি তৈরির কাজ শেষ করেছে পুরসভা। তথ্য অনুযায়ী ২০২০-’২১ সালের আড়াই হাজারের বেশি বাড়ির অনুমোদন মিলেছিল। তার মধ্যে ২ হাজার ৩১০টির বেশি বাড়ি তৈরির কাজ চলছে। এই বাড়িগুলির মধ্যে সরকারি খরচ করে ২৪৩টি বাড়ির ছাদ তৈরি হবে। যদিও এখনও ২০৯টি বাড়ি তৈরির কাজ শুরু হয়নি। যা নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন পুরসভা।
মেদিনীপুর শহরের বাসিন্দা চন্দন গুপ্ত বলেন, অসমাপ্ত বাড়ির উপভোক্তারা টাকা পেলে খুবই উপকৃত হবেন। বর্ষাকালে বহু মানুষকে সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়। তবে এখনও বহু এলাকায় বাড়ি তৈরির কাজ শুরু হয়নি। এরফলে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বহু পরিবারকে। এনিয়ে পদক্ষেপ করার প্রয়োজন রয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ