Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মিডডে মিলের খিচুড়িতে পচা কুমড়ো! স্কুলে ক্ষোভ

মিড ডে মিলের খিচুড়িতে পচা কুমড়ো দেওয়ায় স্কুলে তোলপাড়। ঘটনার প্রতিবাদে রান্নার দায়িত্বে থাকা মহিলা কর্মী সহ গ্রামবাসীরা সরব হন।

মিডডে মিলের খিচুড়িতে পচা কুমড়ো! স্কুলে ক্ষোভ
  • ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: মিড ডে মিলের খিচুড়িতে পচা কুমড়ো দেওয়ায় স্কুলে তোলপাড়। ঘটনার প্রতিবাদে রান্নার দায়িত্বে থাকা মহিলা কর্মী সহ গ্রামবাসীরা সরব হন। তাঁরা মিড-ডে-মিলের গুনমান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁদের অভিযোগ, প্রাথমিকের পড়ুয়াদের পাতে সঠিক গুনমানের খাবার দেওয়া হচ্ছে না। পরিস্থিতি এমন হয় যে, স্কুলের প্রধান শিক্ষককে অফিস ঘরে আটকে রেখে গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ দেখান। এই ঘটনা সিউড়ি-২ ব্লকের কুলেরা প্রাথমিক স্কুলের। ঘটনার খবর পেতেই সিউড়ি থানার পুলিস স্কুলে পৌঁছায়। শেষমেশ পুলিসি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এবিষয়ে জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, কুমড়ো বাদ দিয়েই এদিন মিডডে মিলের খিচুড়ি রান্না হয়। তবে সঠিক কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে। 

Advertisement

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম পর্যন্ত প্রায় ৬৯ জন পড়ুয়া এই স্কুলে। এর মধ্যে প্রায় ৪৫ জন পড়ুয়ার জন্য নিয়মিত মিড-ডে-মিল রান্না হয়। এদিন পড়ুয়াদের জন্য তিন প্রকারের ডাল, আলু, পেঁপে ও কুমড়ো দিয়ে খিচুড়ি রান্নার কথা ছিল। অভিযোগ, খিচুড়ি রান্নার জন্য যে কুমড়ো দেওয়া হয়েছিল তা পচে গিয়েছিল। বিষয়টি রান্নার দায়িত্বে থাকা মহিলা কর্মীদের নজরে এলে তা স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। যদিও অভিযোগ, স্কুলের প্রধান শিক্ষক খারাপ ব্যবহার করেন। এতেই সবাই ক্ষুব্ধ হন। খবর ছড়াতেই স্থানীয় গ্রামবাসীরাও স্কুল চত্বরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। প্রধান শিক্ষককে আটকে রেখে চলে বিক্ষোভ। স্খানীয়দের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক বদল হওয়ার পর থেকেই মিড-ডে-মিল নিয়ে বিভিন্ন সময় অভিযোগ উঠছে। তার জেরে স্কুলে পড়ুয়া সংখ্যাও কমছে। যদিও প্রধান শিক্ষক সব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন। 
মিড-ডে-মিল রান্নার দায়িত্বে থাকা নমিতা মাহারা বলেন, রান্নার বিষয়ে প্রধান শিক্ষককে কিছু বলা হলে তিনি শুনতে চান না। উল্টে আমাদের নানা কথা শোনান। এদিন স্কুল থেকে আমাদের বের করে দেওয়া হয়। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই আমরা বিক্ষোভে শামিল হই। 
গ্রামবাসী ঝুমু মাহারা বলেন, পড়ুয়াদের মিড-ডে-মিলের খিচুড়িতে রান্নার জন্য পচে যাওয়া কুমড়ো দেওয়া হয়েছিল। তা জানানো হলে প্রধান শিক্ষক কর্মীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। প্রধান শিক্ষক বিকাশ চক্রবর্তী বলেন, আমি নিজে পড়ুয়াদের মিড-ডে-মিলের জন্য বাজার করি। কোনও কারণে এদিন কুমড়ো পচে গিয়েছিল। আমি তা বাদ দিয়ে রান্না করতে বলেছিলাম। একজন শিক্ষক হিসেবে  পড়ুয়াদের পাতে ভালো খাবার তুলে দেওয়ার চেষ্টা করি। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ